সিলেট জেলা ছাত্রলীগের অন্যতম নেতা শিহাব উদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সিলেটের উপশহর, স্টেডিয়াম, জিন্দাবাজারসহ আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি জড়িত।
সূত্র জানায়, শিহাব উদ্দিন আহমদ সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা বিধান কুমার শাহার ঘনিষ্ঠ সহযোগী। রাজনৈতিক পরিচয়কে পুঁজি করে তিনি সিলেটে একক আধিপত্য বিস্তার করেছেন বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।
তার বিরুদ্ধে বড় বড় হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার সুযোগে শিহাব বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন। চাঁদাবাজি, ছিনতাই, সন্ত্রাস, এমনকি খুনের মতো অপরাধের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
[caption id="attachment_17994" align="aligncenter" width="559"]
ছাত্রলীগের ব্যানারসহ মিছিলরত শিহাব উদ্দিন[/caption]
বিশেষ করে ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় কেন্দ্র দখল, ভোট ছিনতাই ও সহিংসতার ঘটনায় তার নাম উঠে আসে। অভিযোগ রয়েছে, শিহাব পোলিং অফিসারদের কাছ থেকে ব্যালট ছিনিয়ে নিজেই অবৈধভাবে ভোট প্রদান করেছেন এবং নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাতেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
সম্প্রতি গোপন সূত্রে জানা গেছে, শিহাব বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকেই আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকে আর্থিক ও কৌশলগত সহায়তা দিচ্ছেন। বিভিন্ন সময় অর্থের বিনিময়ে রাজনৈতিক কর্মীদের মাঠে নামার পেছনেও তার প্রভাব রয়েছে বলে দাবি করেছেন সিলেটের একাধিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ মানুষ।
তার নামে দেশে একাধিক মামলা রয়েছে, তবে এখনো তিনি আইনের আওতার বাইরে রয়েছেন। সাধারণ জনগণের পক্ষ থেকে দাবি উঠেছে, তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে আইনানুগ বিচারের মুখোমুখি করা হোক।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৫
সিলেট জেলা ছাত্রলীগের অন্যতম নেতা শিহাব উদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সিলেটের উপশহর, স্টেডিয়াম, জিন্দাবাজারসহ আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি জড়িত।
সূত্র জানায়, শিহাব উদ্দিন আহমদ সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা বিধান কুমার শাহার ঘনিষ্ঠ সহযোগী। রাজনৈতিক পরিচয়কে পুঁজি করে তিনি সিলেটে একক আধিপত্য বিস্তার করেছেন বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।
তার বিরুদ্ধে বড় বড় হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার সুযোগে শিহাব বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন। চাঁদাবাজি, ছিনতাই, সন্ত্রাস, এমনকি খুনের মতো অপরাধের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
[caption id="attachment_17994" align="aligncenter" width="559"]
ছাত্রলীগের ব্যানারসহ মিছিলরত শিহাব উদ্দিন[/caption]
বিশেষ করে ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় কেন্দ্র দখল, ভোট ছিনতাই ও সহিংসতার ঘটনায় তার নাম উঠে আসে। অভিযোগ রয়েছে, শিহাব পোলিং অফিসারদের কাছ থেকে ব্যালট ছিনিয়ে নিজেই অবৈধভাবে ভোট প্রদান করেছেন এবং নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাতেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
সম্প্রতি গোপন সূত্রে জানা গেছে, শিহাব বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকেই আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকে আর্থিক ও কৌশলগত সহায়তা দিচ্ছেন। বিভিন্ন সময় অর্থের বিনিময়ে রাজনৈতিক কর্মীদের মাঠে নামার পেছনেও তার প্রভাব রয়েছে বলে দাবি করেছেন সিলেটের একাধিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ মানুষ।
তার নামে দেশে একাধিক মামলা রয়েছে, তবে এখনো তিনি আইনের আওতার বাইরে রয়েছেন। সাধারণ জনগণের পক্ষ থেকে দাবি উঠেছে, তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে আইনানুগ বিচারের মুখোমুখি করা হোক।
