ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার-এর রাজপথে ইতিহাস গড়লেন স্টকপোর্টের বিশেষ শিক্ষিকা মধুমিতা জেনা। শাড়ি পরে ম্যারাথন দৌড়ে দ্রুততম সময়ের নতুন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত ম্যানচেস্টার ম্যারাথন-এ মধুমিতা ২৬.২ মাইল পথ অতিক্রম করেন মাত্র ৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডে। এই সময়ের মাধ্যমে তিনি ২০১৮ সালের আগের রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেন।
ভারতের ওড়িশা বংশোদ্ভূত মধুমিতা দীর্ঘদিন ধরেই নারী অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ক্রীড়া আন্দোলনে কাজ করে আসছেন। এর আগে তিনি শাড়ি পরে দৌড়ানোর সংস্কৃতি ও নারীদের ক্রীড়ায় অংশগ্রহণ নিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
ঐতিহ্যবাহী শাড়ি পরে ম্যারাথন দৌড়ানো অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হলেও তিনি বিশেষভাবে তৈরি হালকা শাড়ি ও ড্রেপিং কৌশল ব্যবহার করে এই বাধা অতিক্রম করেন।
শিক্ষকতা ও পারিবারিক দায়িত্বের পাশাপাশি কঠোর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তিনি নিজেকে প্রস্তুত করেন। তার প্রশিক্ষণে ছিল ভোরবেলার দৌড়, ওয়েট ট্রেনিং এবং হাই-ইনটেনসিটি ইন্টারভাল ট্রেনিং।
মধুমিতা জানান, এই দৌড় শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়; বরং এটি স্টকপোর্টের হিটন স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য তহবিল সংগ্রহের একটি উদ্যোগ। সংগৃহীত অর্থ দিয়ে স্কুলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ‘আই-গেজ’ প্রযুক্তি কেনা হবে, যা চোখের ইশারায় যোগাযোগে সাহায্য করবে।
তিনি বলেন, এই প্রযুক্তি শিক্ষার্থীদের জীবনে স্বাধীনতা ও নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেবে।
তার এই অর্জন শুধু ক্রীড়াক্ষেত্রে নয়, বরং সংস্কৃতি, পরিচয় ও নারীর ক্ষমতায়নের এক শক্তিশালী বার্তা হিসেবে বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হচ্ছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার-এর রাজপথে ইতিহাস গড়লেন স্টকপোর্টের বিশেষ শিক্ষিকা মধুমিতা জেনা। শাড়ি পরে ম্যারাথন দৌড়ে দ্রুততম সময়ের নতুন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত ম্যানচেস্টার ম্যারাথন-এ মধুমিতা ২৬.২ মাইল পথ অতিক্রম করেন মাত্র ৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডে। এই সময়ের মাধ্যমে তিনি ২০১৮ সালের আগের রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেন।
ভারতের ওড়িশা বংশোদ্ভূত মধুমিতা দীর্ঘদিন ধরেই নারী অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ক্রীড়া আন্দোলনে কাজ করে আসছেন। এর আগে তিনি শাড়ি পরে দৌড়ানোর সংস্কৃতি ও নারীদের ক্রীড়ায় অংশগ্রহণ নিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
ঐতিহ্যবাহী শাড়ি পরে ম্যারাথন দৌড়ানো অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হলেও তিনি বিশেষভাবে তৈরি হালকা শাড়ি ও ড্রেপিং কৌশল ব্যবহার করে এই বাধা অতিক্রম করেন।
শিক্ষকতা ও পারিবারিক দায়িত্বের পাশাপাশি কঠোর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তিনি নিজেকে প্রস্তুত করেন। তার প্রশিক্ষণে ছিল ভোরবেলার দৌড়, ওয়েট ট্রেনিং এবং হাই-ইনটেনসিটি ইন্টারভাল ট্রেনিং।
মধুমিতা জানান, এই দৌড় শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়; বরং এটি স্টকপোর্টের হিটন স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য তহবিল সংগ্রহের একটি উদ্যোগ। সংগৃহীত অর্থ দিয়ে স্কুলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ‘আই-গেজ’ প্রযুক্তি কেনা হবে, যা চোখের ইশারায় যোগাযোগে সাহায্য করবে।
তিনি বলেন, এই প্রযুক্তি শিক্ষার্থীদের জীবনে স্বাধীনতা ও নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেবে।
তার এই অর্জন শুধু ক্রীড়াক্ষেত্রে নয়, বরং সংস্কৃতি, পরিচয় ও নারীর ক্ষমতায়নের এক শক্তিশালী বার্তা হিসেবে বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হচ্ছে।
