চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

রামপালের মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে দুই গ্রুপের বিরোধ জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে নিষ্পত্তি

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
রামপালের মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে দুই গ্রুপের বিরোধ জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে নিষ্পত্তি

বাগেরহাটের রামপালের মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে বিএনপির বিবাদমান দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় সমাধান হয়েছে। সোমবার (১১ আগস্ট) সকালে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে এই বিরোধ মীমাংসা করা হয়।

উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে ৩০ জনের অধিক আহত হন। ২ আগস্ট রাতে ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি প্রার্থী আব্দুল আলীম ও তার সমর্থকেরা অপর গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী শামীম হাসান পলকসহ কয়েকজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করেন। আহতরা বাগেরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এরপর ৩ আগস্ট শামীম হাসান পলকের সমর্থকরা সন্ন্যাসী বাজারে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করেন।

মানববন্ধনের সময় দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা উত্তেজনার কারণে সংঘর্ষে রূপ নেয়, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও দোকান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হন, যার মধ্যে সাংবাদিকরাও আছেন। রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শান্তি রক্ষার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। পরে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

ঘটনার খবর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলা বিএনপি নেতারা বিষয়টি তদন্ত করে উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা করে সোমবার বিরোধ মীমাংসার জন্য দিন ধার্য করেন। সমাধান সভায় বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম. এ. সালাম, যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল ইসলাম গোরা, রামপাল উপজেলা আহ্বায়ক শেখ হাফিজুর রহমান তুহিনসহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


রামপালের মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে দুই গ্রুপের বিরোধ জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে নিষ্পত্তি

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৫

featured Image

বাগেরহাটের রামপালের মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে বিএনপির বিবাদমান দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় সমাধান হয়েছে। সোমবার (১১ আগস্ট) সকালে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে এই বিরোধ মীমাংসা করা হয়।

উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে ৩০ জনের অধিক আহত হন। ২ আগস্ট রাতে ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি প্রার্থী আব্দুল আলীম ও তার সমর্থকেরা অপর গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী শামীম হাসান পলকসহ কয়েকজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করেন। আহতরা বাগেরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এরপর ৩ আগস্ট শামীম হাসান পলকের সমর্থকরা সন্ন্যাসী বাজারে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করেন।

মানববন্ধনের সময় দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা উত্তেজনার কারণে সংঘর্ষে রূপ নেয়, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও দোকান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হন, যার মধ্যে সাংবাদিকরাও আছেন। রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শান্তি রক্ষার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। পরে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

ঘটনার খবর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলা বিএনপি নেতারা বিষয়টি তদন্ত করে উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা করে সোমবার বিরোধ মীমাংসার জন্য দিন ধার্য করেন। সমাধান সভায় বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম. এ. সালাম, যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল ইসলাম গোরা, রামপাল উপজেলা আহ্বায়ক শেখ হাফিজুর রহমান তুহিনসহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত