চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

রাজশাহীতে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগ

প্রকাশ : ০৮ মে ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
রাজশাহীতে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগ

রাজশাহীতে আবারও প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে পরিবেশ বিধ্বংসী নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগ। বাজারে গিয়ে খালি হাতে ঢুকে পলিথিনে ভর্তি বাজারের ব্যাগ হাতে ঘরে ফিরছেন অনেকে। অথচ এই দৃশ্যটাই একসময় ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে—নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযানে সরব ছিল প্রশাসন ও পরিবেশবাদীরা।

বর্তমানে চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। কোথাও নেই অভিযান, নেই নজরদারি। ফলে অসাধু ব্যবসায়ীরা অনায়াসেই প্রকাশ্যে পলিথিন ব্যাগ বিক্রি করছেন।

পরিবেশবিদরা বলছেন, পলিথিন ব্যাগ পচনশীল নয় এবং এটি দীর্ঘদিন মাটিতে বা পানিতে থেকে যায়, যার ফলে মাটি ও পানি দূষণ, জলাবদ্ধতা, এমনকি সার্বিক পরিবেশ ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

বর্ষা মৌসুমে ড্রেন ও নালা ভরাট হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায় এই পলিথিন। পলিথিন পোড়ালে পলিভিনাইল ক্লোরাইড থেকে নির্গত হয় বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড যা বাতাসকে মারাত্মকভাবে দূষিত করে।

শুধু পরিবেশ নয়, মানবদেহেও পলিথিন প্রবেশ করছে মাছ ও জলজ প্রাণীর মাধ্যমে। গবেষণায় দেখা গেছে, এসব প্লাস্টিক বর্জ্য ক্যান্সারসহ নানা চর্মরোগ ও জটিল রোগের জন্ম দিতে পারে।

পরিবেশবিদদের মতে, শুধু আইন নয়, সচেতনতা ও বিকল্প ব্যবহার নিশ্চিত করেই পলিথিনমুক্ত পরিবেশ গড়া সম্ভব। তাঁরা কাপড় বা জুটির তৈরি ব্যাগ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। “পলিথিন ব্যাগকে এখনই না বলুন, না হলে ভবিষ্যত প্রজন্মকে চরম মূল্য দিতে হবে,”—বলেন এক স্থানীয় পরিবেশকর্মী।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


রাজশাহীতে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৫

featured Image

রাজশাহীতে আবারও প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে পরিবেশ বিধ্বংসী নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগ। বাজারে গিয়ে খালি হাতে ঢুকে পলিথিনে ভর্তি বাজারের ব্যাগ হাতে ঘরে ফিরছেন অনেকে। অথচ এই দৃশ্যটাই একসময় ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে—নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযানে সরব ছিল প্রশাসন ও পরিবেশবাদীরা।

বর্তমানে চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। কোথাও নেই অভিযান, নেই নজরদারি। ফলে অসাধু ব্যবসায়ীরা অনায়াসেই প্রকাশ্যে পলিথিন ব্যাগ বিক্রি করছেন।

পরিবেশবিদরা বলছেন, পলিথিন ব্যাগ পচনশীল নয় এবং এটি দীর্ঘদিন মাটিতে বা পানিতে থেকে যায়, যার ফলে মাটি ও পানি দূষণ, জলাবদ্ধতা, এমনকি সার্বিক পরিবেশ ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

বর্ষা মৌসুমে ড্রেন ও নালা ভরাট হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায় এই পলিথিন। পলিথিন পোড়ালে পলিভিনাইল ক্লোরাইড থেকে নির্গত হয় বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড যা বাতাসকে মারাত্মকভাবে দূষিত করে।

শুধু পরিবেশ নয়, মানবদেহেও পলিথিন প্রবেশ করছে মাছ ও জলজ প্রাণীর মাধ্যমে। গবেষণায় দেখা গেছে, এসব প্লাস্টিক বর্জ্য ক্যান্সারসহ নানা চর্মরোগ ও জটিল রোগের জন্ম দিতে পারে।

পরিবেশবিদদের মতে, শুধু আইন নয়, সচেতনতা ও বিকল্প ব্যবহার নিশ্চিত করেই পলিথিনমুক্ত পরিবেশ গড়া সম্ভব। তাঁরা কাপড় বা জুটির তৈরি ব্যাগ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। “পলিথিন ব্যাগকে এখনই না বলুন, না হলে ভবিষ্যত প্রজন্মকে চরম মূল্য দিতে হবে,”—বলেন এক স্থানীয় পরিবেশকর্মী।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত