প্রান্তিক পর্যায়ের মৎস্য খামার, হ্যাচারি এবং গবাদিপশু ও পোল্ট্রি খামারে উৎপাদন ব্যয় হ্রাসের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই সিদ্ধান্তের আওতায় খামারি ও হ্যাচারি মালিকদের জন্য বিদ্যুৎ বিলে ২০ শতাংশ রিবেট সুবিধা প্রদান করা হবে।
কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষিপণ্য রপ্তানিতে উৎসাহ প্রদান এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ রিবেট নীতিমালার আওতায় বর্তমানে ১৬টি খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ রিবেট চালু রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট চারটি শিল্পখাতে অর্থ বিভাগ ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি প্রদানের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।
এই ভর্তুকি সুবিধার আওতায় রয়েছে, পশু ও পোল্ট্রি খাদ্য প্রস্তুতকারী শিল্প, ফিস ফিড উৎপাদন শিল্প, পোল্ট্রি শিল্প এবং দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ শিল্প। দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণের মধ্যে রয়েছে দুধ পাস্তুরিতকরণ, গুঁড়ো দুধ, আইসক্রিম, কনডেন্সড মিল্ক, মিষ্টান্ন, পনির, ঘি, মাখন, চকোলেট ও দই উৎপাদন কার্যক্রম।
সরকারের এই উদ্যোগের ফলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি শিল্পখাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, নিরাপদ ও মানসম্মত প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে দেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
প্রান্তিক পর্যায়ের মৎস্য খামার, হ্যাচারি এবং গবাদিপশু ও পোল্ট্রি খামারে উৎপাদন ব্যয় হ্রাসের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই সিদ্ধান্তের আওতায় খামারি ও হ্যাচারি মালিকদের জন্য বিদ্যুৎ বিলে ২০ শতাংশ রিবেট সুবিধা প্রদান করা হবে।
কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষিপণ্য রপ্তানিতে উৎসাহ প্রদান এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ রিবেট নীতিমালার আওতায় বর্তমানে ১৬টি খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ রিবেট চালু রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট চারটি শিল্পখাতে অর্থ বিভাগ ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি প্রদানের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।
এই ভর্তুকি সুবিধার আওতায় রয়েছে, পশু ও পোল্ট্রি খাদ্য প্রস্তুতকারী শিল্প, ফিস ফিড উৎপাদন শিল্প, পোল্ট্রি শিল্প এবং দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ শিল্প। দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণের মধ্যে রয়েছে দুধ পাস্তুরিতকরণ, গুঁড়ো দুধ, আইসক্রিম, কনডেন্সড মিল্ক, মিষ্টান্ন, পনির, ঘি, মাখন, চকোলেট ও দই উৎপাদন কার্যক্রম।
সরকারের এই উদ্যোগের ফলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি শিল্পখাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, নিরাপদ ও মানসম্মত প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে দেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
