বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

আর্কাইভ

মোরেলগঞ্জ হাসপাতালে দুর্নীতি ও অনিয়মে দুদকের অভিযান

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
মোরেলগঞ্জ হাসপাতালে দুর্নীতি ও অনিয়মে দুদকের অভিযান

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মঙ্গলবার দুপুরে অভিযান পরিচালনা করেছে। হাসপাতালের বহির্বিভাগে সাধারণ রোগীদের টিকিট ফি ৩ টাকার পরিবর্তে ৫ টাকা নেওয়া, ওষুধ সংকট, মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ স্টোরে সংরক্ষণ ও খাবারে গুণগত মানের অভাবসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

মোরেলগঞ্জ হাসপাতাল ৫০ শয্যার একটি প্রতিষ্ঠান, যা প্রায় ৫ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করে আসছে। সরকারি বরাদ্দে সাধারণ রোগীদের জন্য বছরে কোটি টাকা ওষুধ সরবরাহ করা হয়, কিন্তু রোগীরা প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক, সেফট্রিয়াক্সোন, ওমেপ্রাজল ইনজেকশনসহ বেশ কিছু ওষুধ বাহির থেকে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

অভিযোগ রয়েছে, অন্তর্বিভাগে ৩৫ প্রকার ওষুধের নাম সাটানো থাকলেও চিকিৎসকরা কোম্পানির প্রতিনিধিদের প্রভাবিত হয়ে রোগীদের নির্দিষ্ট কোম্পানির ওষুধ লেখেন। এছাড়া টিকিট কাউন্টারে খুচরা টাকা না থাকার অজুহাতে রোগীদের অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়। রোগীদের খাবারও যথাযথ পরিমাপে সরবরাহ করা হয় না এবং গুণগত মানের হ্রাস পাচ্ছে।

দুদকের সহকারি পরিচালক রাসেল রনি বলেন, “হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে এসব অনিয়ম চলছিল। মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া গেছে এবং অতিরিক্ত টাকাও নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে পুনরায় এ ধরনের অনিয়মের ক্ষেত্রে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ সময় ৩ জন মেডিকেল অফিসার ও টিকিট কাউন্টারের মনির হোসেনসহ হাসপাতালের কর্মকর্তা ডা. মুজাহিদুল ইসলামের কাছ থেকেও লিখিত অঙ্গীকার গ্রহণ করা হয়।

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬


মোরেলগঞ্জ হাসপাতালে দুর্নীতি ও অনিয়মে দুদকের অভিযান

প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৫

featured Image

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মঙ্গলবার দুপুরে অভিযান পরিচালনা করেছে। হাসপাতালের বহির্বিভাগে সাধারণ রোগীদের টিকিট ফি ৩ টাকার পরিবর্তে ৫ টাকা নেওয়া, ওষুধ সংকট, মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ স্টোরে সংরক্ষণ ও খাবারে গুণগত মানের অভাবসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

মোরেলগঞ্জ হাসপাতাল ৫০ শয্যার একটি প্রতিষ্ঠান, যা প্রায় ৫ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করে আসছে। সরকারি বরাদ্দে সাধারণ রোগীদের জন্য বছরে কোটি টাকা ওষুধ সরবরাহ করা হয়, কিন্তু রোগীরা প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক, সেফট্রিয়াক্সোন, ওমেপ্রাজল ইনজেকশনসহ বেশ কিছু ওষুধ বাহির থেকে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

অভিযোগ রয়েছে, অন্তর্বিভাগে ৩৫ প্রকার ওষুধের নাম সাটানো থাকলেও চিকিৎসকরা কোম্পানির প্রতিনিধিদের প্রভাবিত হয়ে রোগীদের নির্দিষ্ট কোম্পানির ওষুধ লেখেন। এছাড়া টিকিট কাউন্টারে খুচরা টাকা না থাকার অজুহাতে রোগীদের অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়। রোগীদের খাবারও যথাযথ পরিমাপে সরবরাহ করা হয় না এবং গুণগত মানের হ্রাস পাচ্ছে।

দুদকের সহকারি পরিচালক রাসেল রনি বলেন, “হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে এসব অনিয়ম চলছিল। মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া গেছে এবং অতিরিক্ত টাকাও নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে পুনরায় এ ধরনের অনিয়মের ক্ষেত্রে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ সময় ৩ জন মেডিকেল অফিসার ও টিকিট কাউন্টারের মনির হোসেনসহ হাসপাতালের কর্মকর্তা ডা. মুজাহিদুল ইসলামের কাছ থেকেও লিখিত অঙ্গীকার গ্রহণ করা হয়।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত