বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

আর্কাইভ

ভোলা-বরিশালে হবে ১১ কিমি সেতু, ব্যয় ১৭৪৬৬ কোটি: সেতুমন্ত্রী

প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
ভোলা-বরিশালে হবে ১১ কিমি সেতু, ব্যয় ১৭৪৬৬ কোটি: সেতুমন্ত্রী
ভোলা-বরিশালের মধ্যে সড়কপথে যোগাযোগের লক্ষ্যে প্রায় ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণ করা হবে। এটি তেঁতুলিয়া নদীর ওপর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকাও বেশি। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। অধিবেশনে সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ এক জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশে সেতুটির গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী তথ্যগুলো জানান। শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রকল্পটি এখনো অনুমোদনহীন উচ্চ অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। এটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত থাকলেও চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। খুব শিগগিরই নির্মাণ শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মন্ত্রী জানান, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, যা বড় অর্থনৈতিক নীতি, ক্রয় প্রস্তাব ও প্রকল্প অনুমোদনের দায়িত্বে নিয়োজিত একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি। বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর একটি। তিনি গত ৪ ফেব্রুয়ারি বরিশালে নির্বাচনি প্রচারণায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। ‘সরকার যদি সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করতে পারে, তাহলে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০৩৩ সালের মধ্যে তা সম্পন্ন করা সম্ভব হবে,’ যোগ করেন মন্ত্রী।

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬


ভোলা-বরিশালে হবে ১১ কিমি সেতু, ব্যয় ১৭৪৬৬ কোটি: সেতুমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
ভোলা-বরিশালের মধ্যে সড়কপথে যোগাযোগের লক্ষ্যে প্রায় ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণ করা হবে। এটি তেঁতুলিয়া নদীর ওপর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকাও বেশি। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। অধিবেশনে সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ এক জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশে সেতুটির গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী তথ্যগুলো জানান। শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রকল্পটি এখনো অনুমোদনহীন উচ্চ অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। এটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত থাকলেও চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। খুব শিগগিরই নির্মাণ শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মন্ত্রী জানান, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, যা বড় অর্থনৈতিক নীতি, ক্রয় প্রস্তাব ও প্রকল্প অনুমোদনের দায়িত্বে নিয়োজিত একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি। বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর একটি। তিনি গত ৪ ফেব্রুয়ারি বরিশালে নির্বাচনি প্রচারণায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। ‘সরকার যদি সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করতে পারে, তাহলে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০৩৩ সালের মধ্যে তা সম্পন্ন করা সম্ভব হবে,’ যোগ করেন মন্ত্রী।

চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত