চেক পোস্ট

মূল পাতা

খেলাধুলা

বিসিবি নির্বাচন নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ ফারুক আহমেদের

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
বিসিবি নির্বাচন নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ ফারুক আহমেদের

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছেন সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ। জাতীয় দৈনিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ-এর পরামর্শেই তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।

গত বছর অন্তর্বর্তী সরকারের পছন্দে বিসিবির সভাপতি হন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ফারুক আহমেদ। তবে মাত্র নয় মাস পর গত মে মাসে তাকে অপসারণ করা হয়। কারণ হিসেবে অভিযোগ আনা হয়েছিল, বোর্ড পরিচালকদের না জানিয়ে ব্যাংক থেকে ব্যাংকে অর্থ স্থানান্তর এবং তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে না দেওয়া।

সম্প্রতি ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন, ক্রিকেটের চেয়ে ফারুক আহমেদের আগ্রহ বেশি ছিল আবার কিভাবে সভাপতি হওয়া যায়, সেজন্য ক্লাব নেওয়া ও ব্যবসায় মনোযোগ দেওয়ার দিকে।

এই মন্তব্যের জবাবে ফারুক আহমেদ পাল্টা দাবি করেন-“ওনার (ক্রীড়া উপদেষ্টা) অফিস থেকেই আমাকে নির্বাচনের জন্য ‘গো এহেড’ দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, আমি নির্বাচনে অংশ নিলে তাদের কোনো সমস্যা নেই। পরে হয়তো বুঝেছেন আমি তাদের স্বার্থ দেখব না, তাই সরিয়ে দিয়েছে।”

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এখনো তিনি কোনো ক্লাব কেনেননি, কাউন্সিলর হননি বা কাউকে টাকা দেননি। বর্তমানে তিনি বিসিবির কাউন্সিলর নন বলেও জানিয়েছেন।

পদ হারানোর পর আইসিসিতে অভিযোগ করার হুমকি দিলেও পরে দেশের ক্রিকেটের ক্ষতির আশঙ্কায় সেই পথে হাঁটেননি ফারুক। তার মতে, আইসিসি বিষয়টি আমলে নিলে বাংলাদেশও জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার মতো শাস্তি পেতে পারত।

উল্লেখ্য, বিসিবির নির্বাচন আগামী অক্টোবরেই হওয়ার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে কাউন্সিলররা প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


বিসিবি নির্বাচন নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ ফারুক আহমেদের

প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৫

featured Image

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছেন সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ। জাতীয় দৈনিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ-এর পরামর্শেই তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।

গত বছর অন্তর্বর্তী সরকারের পছন্দে বিসিবির সভাপতি হন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ফারুক আহমেদ। তবে মাত্র নয় মাস পর গত মে মাসে তাকে অপসারণ করা হয়। কারণ হিসেবে অভিযোগ আনা হয়েছিল, বোর্ড পরিচালকদের না জানিয়ে ব্যাংক থেকে ব্যাংকে অর্থ স্থানান্তর এবং তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে না দেওয়া।

সম্প্রতি ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন, ক্রিকেটের চেয়ে ফারুক আহমেদের আগ্রহ বেশি ছিল আবার কিভাবে সভাপতি হওয়া যায়, সেজন্য ক্লাব নেওয়া ও ব্যবসায় মনোযোগ দেওয়ার দিকে।

এই মন্তব্যের জবাবে ফারুক আহমেদ পাল্টা দাবি করেন-“ওনার (ক্রীড়া উপদেষ্টা) অফিস থেকেই আমাকে নির্বাচনের জন্য ‘গো এহেড’ দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, আমি নির্বাচনে অংশ নিলে তাদের কোনো সমস্যা নেই। পরে হয়তো বুঝেছেন আমি তাদের স্বার্থ দেখব না, তাই সরিয়ে দিয়েছে।”

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এখনো তিনি কোনো ক্লাব কেনেননি, কাউন্সিলর হননি বা কাউকে টাকা দেননি। বর্তমানে তিনি বিসিবির কাউন্সিলর নন বলেও জানিয়েছেন।

পদ হারানোর পর আইসিসিতে অভিযোগ করার হুমকি দিলেও পরে দেশের ক্রিকেটের ক্ষতির আশঙ্কায় সেই পথে হাঁটেননি ফারুক। তার মতে, আইসিসি বিষয়টি আমলে নিলে বাংলাদেশও জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার মতো শাস্তি পেতে পারত।

উল্লেখ্য, বিসিবির নির্বাচন আগামী অক্টোবরেই হওয়ার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে কাউন্সিলররা প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত