বাগেরহাট সদর উপজেলার রাখালগাছি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) সরোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ভুয়া জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, ঘুষ গ্রহণ এবং সেবাপ্রার্থীদের হয়রানিসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
গত ২৩ জুলাই এসব অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দপুর গ্রামের ফকির মাহমুদুর রহমান।
অভিযোগপত্রে মাহমুদুর রহমান উল্লেখ করেন, সচিব সরোয়ার হোসেন অতীতে ২০১০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত একই ইউনিয়নে দায়িত্বে থাকার সময় অর্থের বিনিময়ে বহু ভুয়া জন্ম নিবন্ধন তৈরি করেন, যেগুলো এখন অনলাইন সিস্টেমে পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে তিনি আবারও একই ইউনিয়নে দায়িত্বে রয়েছেন। সেই সব ভুয়া নিবন্ধনের তথ্য নিয়ে কেউ গেলে নতুন করে টাকা দাবি করেন এবং হয়রানি করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মাহমুদুর রহমান আরও জানান, তিনি নিজে প্রায় তিন মাস ধরে জন্ম নিবন্ধনের জন্য সচিবের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। সচিব শুরুতে তার কাছ থেকে ঘুষ দাবি করেন, টাকা না দেওয়ায় তাকে বারবার ফিরিয়ে দেন এবং খারাপ ব্যবহার করেন। এছাড়া মৃত্যু নিবন্ধনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সরকারি ফি ছাড়াও অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়, যার কোনো রশিদ প্রদান করা হয় না বলেও দাবি করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে সচিব সরোয়ার হোসেন বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি কোনো অনিয়মের সঙ্গে জড়িত নই।”
রাখালগাছি ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইলিয়াস খান বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত। অভিযোগ পেয়েছি, তদন্তের পর যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আমার কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ এসেছে। অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৫
বাগেরহাট সদর উপজেলার রাখালগাছি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) সরোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ভুয়া জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, ঘুষ গ্রহণ এবং সেবাপ্রার্থীদের হয়রানিসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
গত ২৩ জুলাই এসব অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দপুর গ্রামের ফকির মাহমুদুর রহমান।
অভিযোগপত্রে মাহমুদুর রহমান উল্লেখ করেন, সচিব সরোয়ার হোসেন অতীতে ২০১০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত একই ইউনিয়নে দায়িত্বে থাকার সময় অর্থের বিনিময়ে বহু ভুয়া জন্ম নিবন্ধন তৈরি করেন, যেগুলো এখন অনলাইন সিস্টেমে পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে তিনি আবারও একই ইউনিয়নে দায়িত্বে রয়েছেন। সেই সব ভুয়া নিবন্ধনের তথ্য নিয়ে কেউ গেলে নতুন করে টাকা দাবি করেন এবং হয়রানি করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মাহমুদুর রহমান আরও জানান, তিনি নিজে প্রায় তিন মাস ধরে জন্ম নিবন্ধনের জন্য সচিবের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। সচিব শুরুতে তার কাছ থেকে ঘুষ দাবি করেন, টাকা না দেওয়ায় তাকে বারবার ফিরিয়ে দেন এবং খারাপ ব্যবহার করেন। এছাড়া মৃত্যু নিবন্ধনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সরকারি ফি ছাড়াও অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়, যার কোনো রশিদ প্রদান করা হয় না বলেও দাবি করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে সচিব সরোয়ার হোসেন বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি কোনো অনিয়মের সঙ্গে জড়িত নই।”
রাখালগাছি ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইলিয়াস খান বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত। অভিযোগ পেয়েছি, তদন্তের পর যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আমার কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ এসেছে। অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
