চেক পোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

বনশ্রীতে গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা!

প্রকাশ : ২৯ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
বনশ্রীতে গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা!
রাজধানীর বনশ্রীর একটি বাসায় এক কলেজছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। ওই শিক্ষার্থীর নাম লাইকা মিলিন (১৭)। সে বনশ্রী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল। রবিবার (২৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রামপুরা ডি ব্লকের একটি ভবনের চতুর্থ তলার ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত ছাত্রীর বাবা শাহাদাত হোসেন ঢামেক হাসপাতালে জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সবার অগোচরে তার রুমে দরজা বন্ধ করে জানালার গ্রিলের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেয়। পরে দরজা ভেঙে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল, পরে সেখান থেকে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতার বাবা আরো জানান, তার মেয়ের সাইনোসাইটিসের সমস্যা ছিল। প্রচণ্ড মাথা ব্যথা করত। তারা চিকিৎসকের শরণাপন্নও হয়েছেন। সকালে কলেজে যাওয়ার জন্য তার রুমে ঢুকে পরে অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও তার কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে জানালার গ্রিলের সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখা যায়। ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, মৃতদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে। মৃতার গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর ঘোষাইরহাট উপজেলায়। তার বাবার নাম শাহাদত হোসেন।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


বনশ্রীতে গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা!

প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬

featured Image
রাজধানীর বনশ্রীর একটি বাসায় এক কলেজছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। ওই শিক্ষার্থীর নাম লাইকা মিলিন (১৭)। সে বনশ্রী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল। রবিবার (২৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রামপুরা ডি ব্লকের একটি ভবনের চতুর্থ তলার ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত ছাত্রীর বাবা শাহাদাত হোসেন ঢামেক হাসপাতালে জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সবার অগোচরে তার রুমে দরজা বন্ধ করে জানালার গ্রিলের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেয়। পরে দরজা ভেঙে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল, পরে সেখান থেকে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতার বাবা আরো জানান, তার মেয়ের সাইনোসাইটিসের সমস্যা ছিল। প্রচণ্ড মাথা ব্যথা করত। তারা চিকিৎসকের শরণাপন্নও হয়েছেন। সকালে কলেজে যাওয়ার জন্য তার রুমে ঢুকে পরে অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও তার কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে জানালার গ্রিলের সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখা যায়। ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, মৃতদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে। মৃতার গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর ঘোষাইরহাট উপজেলায়। তার বাবার নাম শাহাদত হোসেন।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত