চেক পোস্ট

মূল পাতা

অর্থনীতি

পাচারের অর্থ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফেরত আসতে পারে: ঢাকা অর্থ উপদেষ্টা

প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
পাচারের অর্থ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফেরত আসতে পারে: ঢাকা অর্থ উপদেষ্টা

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ আশা প্রকাশ করেছেন যে দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে ফেরত আনা যেতে পারে। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, যেসব ব্যক্তি টাকা পাচার করেছেন তারা বিষয়টি কীভাবে পরিচালনা করতে হয় তা জানে; ফলত সম্পদ ফিরে আনার জন্য কিছুটা সময় লাগবে। তবে লিগ্যাল ফার্মগুলোর সঙ্গে বাচ্চানো আলোচনা চলছে এবং কাজের অগ্রগতি দেখায়, ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কিছু অর্থের প্রত্যাবর্তন সম্ভব হতে পারে। বাকিগুলোর জন্য ক্ষেত্র প্রস্তুত করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ড. সালেহউদ্দিন আরও বলেন, কোনো বিদেশি ব্যাংককে সরাসরি নির্দেশ দিয়ে টাকা নেওয়া যায় না; প্রতিটি লেনদেনকে লিগ্যাল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আনা লাগবে। তিনি জানিয়েছেন, উচ্চ অগ্রাধিক্যের বিষয়গুলোর ওপর কাজ করা হচ্ছে এবং যেসব কেসে ২০০ কোটির বেশি আছে তাদেরও শনাক্ত ও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অর্থ উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, ইতিমধ্যেই কয়েকটি দেশের ব্যাংকে সম্পদ ফ্রিজ করা হয়েছে এবং কারা কোথায় অ্যাকাউন্ট বা পাসপোর্ট রেখেছেন এ ধরনের তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে। এখন বাকি কাজগুলো সম্পন্ন করতে সময় লাগবে—কতটুকু আনা যাবে তা একসময় রিভিউ করে প্রকাশ করা হবে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


পাচারের অর্থ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফেরত আসতে পারে: ঢাকা অর্থ উপদেষ্টা

প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫

featured Image

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ আশা প্রকাশ করেছেন যে দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে ফেরত আনা যেতে পারে। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, যেসব ব্যক্তি টাকা পাচার করেছেন তারা বিষয়টি কীভাবে পরিচালনা করতে হয় তা জানে; ফলত সম্পদ ফিরে আনার জন্য কিছুটা সময় লাগবে। তবে লিগ্যাল ফার্মগুলোর সঙ্গে বাচ্চানো আলোচনা চলছে এবং কাজের অগ্রগতি দেখায়, ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কিছু অর্থের প্রত্যাবর্তন সম্ভব হতে পারে। বাকিগুলোর জন্য ক্ষেত্র প্রস্তুত করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ড. সালেহউদ্দিন আরও বলেন, কোনো বিদেশি ব্যাংককে সরাসরি নির্দেশ দিয়ে টাকা নেওয়া যায় না; প্রতিটি লেনদেনকে লিগ্যাল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আনা লাগবে। তিনি জানিয়েছেন, উচ্চ অগ্রাধিক্যের বিষয়গুলোর ওপর কাজ করা হচ্ছে এবং যেসব কেসে ২০০ কোটির বেশি আছে তাদেরও শনাক্ত ও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অর্থ উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, ইতিমধ্যেই কয়েকটি দেশের ব্যাংকে সম্পদ ফ্রিজ করা হয়েছে এবং কারা কোথায় অ্যাকাউন্ট বা পাসপোর্ট রেখেছেন এ ধরনের তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে। এখন বাকি কাজগুলো সম্পন্ন করতে সময় লাগবে—কতটুকু আনা যাবে তা একসময় রিভিউ করে প্রকাশ করা হবে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত