চেক পোস্ট

মূল পাতা

বিনোদন

ঢাকায় প্রথম প্রদর্শনী ‘ওয়ারী বটেশ্বর’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
ঢাকায় প্রথম প্রদর্শনী ‘ওয়ারী বটেশ্বর’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসা কুড়ানোর পর প্রথমবারের মতো ঢাকায় প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে নির্মাতা রাজিব রাফি পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ওয়ারী বটেশ্বর’।

প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দে ঢাকা। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় ধানমন্ডিতে প্রতিষ্ঠানটির অডিটোরিয়াম ‘নুভেল ভাগ’-এ ছবিটি প্রদর্শিত হবে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, প্রদর্শনী শেষে নির্মাতা রাজিব রাফির সঙ্গে দর্শকদের সরাসরি মতবিনিময় ও আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এতে চলচ্চিত্রটির নির্মাণপ্রক্রিয়া, ভাবনা ও ন্যারেটিভ নিয়ে কথা বলবেন তিনি।

১৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি সম্প্রতি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। এর প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয় ক্লেরমন্ট-ফেরান্ড ইন্টারন্যাশনাল শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভাল ২০২৫-এ, যা বিশ্বে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসর হিসেবে বিবেচিত।

চলচ্চিত্রটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে খনা টকিজসিনেমা কোকোন। আন্তর্জাতিক পরিবেশনার দায়িত্বে রয়েছে সিনেলিও, যারা ইতোমধ্যে দুবাই ও মিশরে ছবিটির প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।

এছাড়া চলচ্চিত্রটি প্রদর্শিত হয়েছে টরোন্টো মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবং সান জিও ভেরোনা ভিডিও ফেস্টিভ্যাল-এ। সামনে আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক উৎসবে অংশ নেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে এটি।

চলচ্চিত্রটির গল্প এগিয়েছে এক রহস্যময় আত্মার দৃষ্টিকোণ থেকে, যেখানে জীবনের বিচ্ছিন্ন কিছু চরিত্র—এক নির্বাক স্ত্রী, স্বপ্নবাজ গোলরক্ষক, অস্থির পিতা এবং আকাঙ্ক্ষায় চালিত মানুষদের মাধ্যমে অদৃশ্য বাস্তবতা ফুটে ওঠে।

পরিচালক রাজিব রাফি জানান, এটি একটি এক্সপেরিমেন্টাল ন্যারেটিভ, যার ভিজ্যুয়াল ভাষা ম্যাজিক রিয়েলিজম ঘরানার। তিনি এটিকে একটি “টিম এফোর্ট” হিসেবে উল্লেখ করে পুরো কাস্ট ও ক্রু টিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

চলচ্চিত্রটির বিশেষ দিক হচ্ছে—পুরোটাই ড্রোন ক্যামেরায় ধারণ করা হয়েছে। নির্মাতার ভাষ্য, ‘ঘোস্ট-লাইক পারসেপশন’ তৈরি করতে এবং অদ্ভুত ও রহস্যময় ভিজ্যুয়াল জার্নি তুলে ধরতেই এই নির্মাণশৈলী বেছে নেওয়া হয়েছে।

সিনেমাটোগ্রাফিতে কাজ করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চিত্রগ্রাহক মাজাহারুল রাজু, যিনি ড্রোন ব্যবহারের মধ্যেও নান্দনিকতা ফুটিয়ে তুলেছেন।

পরিচালকের মতে, চলচ্চিত্রটি একদিকে এক্সপেরিমেন্টাল, অন্যদিকে এর মধ্যে গল্পের গতিময়তাও রয়েছে। তিনি এটিকে ডিটেক্টিভ ফিকশন হিসেবেও দেখার সুযোগ আছে বলে উল্লেখ করেন, যেখানে নিখোঁজ মানুষকে খোঁজার বিষয়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে কাজ করে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


ঢাকায় প্রথম প্রদর্শনী ‘ওয়ারী বটেশ্বর’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসা কুড়ানোর পর প্রথমবারের মতো ঢাকায় প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে নির্মাতা রাজিব রাফি পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ওয়ারী বটেশ্বর’।

প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দে ঢাকা। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় ধানমন্ডিতে প্রতিষ্ঠানটির অডিটোরিয়াম ‘নুভেল ভাগ’-এ ছবিটি প্রদর্শিত হবে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, প্রদর্শনী শেষে নির্মাতা রাজিব রাফির সঙ্গে দর্শকদের সরাসরি মতবিনিময় ও আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এতে চলচ্চিত্রটির নির্মাণপ্রক্রিয়া, ভাবনা ও ন্যারেটিভ নিয়ে কথা বলবেন তিনি।

১৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি সম্প্রতি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। এর প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয় ক্লেরমন্ট-ফেরান্ড ইন্টারন্যাশনাল শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভাল ২০২৫-এ, যা বিশ্বে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসর হিসেবে বিবেচিত।

চলচ্চিত্রটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে খনা টকিজসিনেমা কোকোন। আন্তর্জাতিক পরিবেশনার দায়িত্বে রয়েছে সিনেলিও, যারা ইতোমধ্যে দুবাই ও মিশরে ছবিটির প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।

এছাড়া চলচ্চিত্রটি প্রদর্শিত হয়েছে টরোন্টো মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবং সান জিও ভেরোনা ভিডিও ফেস্টিভ্যাল-এ। সামনে আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক উৎসবে অংশ নেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে এটি।

চলচ্চিত্রটির গল্প এগিয়েছে এক রহস্যময় আত্মার দৃষ্টিকোণ থেকে, যেখানে জীবনের বিচ্ছিন্ন কিছু চরিত্র—এক নির্বাক স্ত্রী, স্বপ্নবাজ গোলরক্ষক, অস্থির পিতা এবং আকাঙ্ক্ষায় চালিত মানুষদের মাধ্যমে অদৃশ্য বাস্তবতা ফুটে ওঠে।

পরিচালক রাজিব রাফি জানান, এটি একটি এক্সপেরিমেন্টাল ন্যারেটিভ, যার ভিজ্যুয়াল ভাষা ম্যাজিক রিয়েলিজম ঘরানার। তিনি এটিকে একটি “টিম এফোর্ট” হিসেবে উল্লেখ করে পুরো কাস্ট ও ক্রু টিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

চলচ্চিত্রটির বিশেষ দিক হচ্ছে—পুরোটাই ড্রোন ক্যামেরায় ধারণ করা হয়েছে। নির্মাতার ভাষ্য, ‘ঘোস্ট-লাইক পারসেপশন’ তৈরি করতে এবং অদ্ভুত ও রহস্যময় ভিজ্যুয়াল জার্নি তুলে ধরতেই এই নির্মাণশৈলী বেছে নেওয়া হয়েছে।

সিনেমাটোগ্রাফিতে কাজ করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চিত্রগ্রাহক মাজাহারুল রাজু, যিনি ড্রোন ব্যবহারের মধ্যেও নান্দনিকতা ফুটিয়ে তুলেছেন।

পরিচালকের মতে, চলচ্চিত্রটি একদিকে এক্সপেরিমেন্টাল, অন্যদিকে এর মধ্যে গল্পের গতিময়তাও রয়েছে। তিনি এটিকে ডিটেক্টিভ ফিকশন হিসেবেও দেখার সুযোগ আছে বলে উল্লেখ করেন, যেখানে নিখোঁজ মানুষকে খোঁজার বিষয়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে কাজ করে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত