চেক পোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

জ্বালানি তেলের সংকট নিরসনে ডিসিদের ৯ নির্দেশনা

প্রকাশ : ১৫ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
জ্বালানি তেলের সংকট নিরসনে ডিসিদের ৯ নির্দেশনা
জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতদারদের রোধ, প্রতিদিন ডিপোর মজুত যাচাই ও অতিরিক্ত দাম নিলে শাস্তি নিশ্চিত করাসহ জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) ৯টি নির্দেশনা দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। রোববার (১৫ মার্চ) জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত অনলাইন মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন। সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব ও সব জেলা প্রশাসক অনলাইনে যুক্ত ছিলেন। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘জনগণের কষ্ট যেন না বাড়ে, বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে সেই চেষ্টা করে যাচ্ছে।’ ডিসিদের দেওয়া প্রতিমন্ত্রীর ৯ নির্দেশনা ১. প্রতিদিন ডিপোর প্রারম্ভিক ও সমাপনী মজুত যাচাই করে রিপোর্ট প্রদান। ২. ডিপো থেকে পেট্রোল পাম্পে বরাদ্দ করা জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিতকরণ। ৩. সব কাস্টমারের (পেট্রোল পাম্প ডিলার, এজেন্সি ডিলার, প্যাকড পয়েন্ট ডিলার ও ডিরেক্ট কাস্টমার) সরবরাহ ও বিতরণ তদারকি করা। ৪. পেট্রোল পাম্প বন্ধ হলে, কেন পাম্প বন্ধ তার সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধান ও ডিপোর সঙ্গে তেল সরবরাহের হিসাব ডাবল চেক করা। ৫. অবৈধ মজুতদারি রোধ করা। ৬. তেলের ডিপোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ৭. জ্বালানি তেলের পাচার বন্ধ করা। ৮. বেশি দামে যেন জ্বালানি তেল বিক্রি না করতে পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা এবং অপরাধ সংগঠিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা। ৯. জেলা পর্যায়ে নজরদারি বৃদ্ধি করা।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


জ্বালানি তেলের সংকট নিরসনে ডিসিদের ৯ নির্দেশনা

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬

featured Image
জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতদারদের রোধ, প্রতিদিন ডিপোর মজুত যাচাই ও অতিরিক্ত দাম নিলে শাস্তি নিশ্চিত করাসহ জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) ৯টি নির্দেশনা দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। রোববার (১৫ মার্চ) জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত অনলাইন মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন। সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব ও সব জেলা প্রশাসক অনলাইনে যুক্ত ছিলেন। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘জনগণের কষ্ট যেন না বাড়ে, বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে সেই চেষ্টা করে যাচ্ছে।’ ডিসিদের দেওয়া প্রতিমন্ত্রীর ৯ নির্দেশনা ১. প্রতিদিন ডিপোর প্রারম্ভিক ও সমাপনী মজুত যাচাই করে রিপোর্ট প্রদান। ২. ডিপো থেকে পেট্রোল পাম্পে বরাদ্দ করা জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিতকরণ। ৩. সব কাস্টমারের (পেট্রোল পাম্প ডিলার, এজেন্সি ডিলার, প্যাকড পয়েন্ট ডিলার ও ডিরেক্ট কাস্টমার) সরবরাহ ও বিতরণ তদারকি করা। ৪. পেট্রোল পাম্প বন্ধ হলে, কেন পাম্প বন্ধ তার সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধান ও ডিপোর সঙ্গে তেল সরবরাহের হিসাব ডাবল চেক করা। ৫. অবৈধ মজুতদারি রোধ করা। ৬. তেলের ডিপোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ৭. জ্বালানি তেলের পাচার বন্ধ করা। ৮. বেশি দামে যেন জ্বালানি তেল বিক্রি না করতে পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা এবং অপরাধ সংগঠিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা। ৯. জেলা পর্যায়ে নজরদারি বৃদ্ধি করা।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত