চেক পোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় উন্নত বিশ্বকে এগিয়ে আসার আহ্বান রিজওয়ানা হাসানের

প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় উন্নত বিশ্বকে এগিয়ে আসার আহ্বান রিজওয়ানা হাসানের

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোর অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি অভিযোজন নিশ্চিত করতে খণ্ডকালীন প্রকল্প থেকে সরে এসে কৃষি, পানি, জীববৈচিত্র্য ও উপকূলীয় ব্যবস্থাপনাসহ সব খাতে সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া জরুরি।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ চরম ঝুঁকির মধ্যেও বিভিন্ন উদ্ভাবনী পদক্ষেপ গ্রহণ করে জীবন, ভূমি, পানি ও উপকূলীয় ব্যবস্থাপনা সুরক্ষিত করেছে। দেশের অভিযোজন কার্যক্রমে রয়েছে জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা এবং প্রায় ২৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ব্যয়বহুল ১১৩টি কর্মসূচি। এছাড়া বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড দেশের প্রথম দেশীয় অভিযোজন তহবিল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

দূর্যোগ প্রস্তুতি এবং খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ৭৮ হাজার স্বেচ্ছাসেবক, ৪,২৯১টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, ৫২৩টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ভাসমান কৃষি, লবণ সহনশীল ধান প্রজাতি এবং প্রকৃতিনির্ভর অভিযোজন প্রকল্প কার্যকর করা হয়েছে।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, বাংলাদেশের অভিযোজন সাফল্যের মূল চালিকা শক্তি হলো শক্তিশালী নীতি ও শাসনব্যবস্থা, জনগণভিত্তিক নেতৃত্ব ও উদ্ভাবনী অর্থায়ন, যা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় উন্নত বিশ্বকে এগিয়ে আসার আহ্বান রিজওয়ানা হাসানের

প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫

featured Image

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোর অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি অভিযোজন নিশ্চিত করতে খণ্ডকালীন প্রকল্প থেকে সরে এসে কৃষি, পানি, জীববৈচিত্র্য ও উপকূলীয় ব্যবস্থাপনাসহ সব খাতে সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া জরুরি।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ চরম ঝুঁকির মধ্যেও বিভিন্ন উদ্ভাবনী পদক্ষেপ গ্রহণ করে জীবন, ভূমি, পানি ও উপকূলীয় ব্যবস্থাপনা সুরক্ষিত করেছে। দেশের অভিযোজন কার্যক্রমে রয়েছে জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা এবং প্রায় ২৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ব্যয়বহুল ১১৩টি কর্মসূচি। এছাড়া বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড দেশের প্রথম দেশীয় অভিযোজন তহবিল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

দূর্যোগ প্রস্তুতি এবং খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ৭৮ হাজার স্বেচ্ছাসেবক, ৪,২৯১টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, ৫২৩টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ভাসমান কৃষি, লবণ সহনশীল ধান প্রজাতি এবং প্রকৃতিনির্ভর অভিযোজন প্রকল্প কার্যকর করা হয়েছে।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, বাংলাদেশের অভিযোজন সাফল্যের মূল চালিকা শক্তি হলো শক্তিশালী নীতি ও শাসনব্যবস্থা, জনগণভিত্তিক নেতৃত্ব ও উদ্ভাবনী অর্থায়ন, যা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত