চেক পোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

গাজা অভিমুখী ফ্লোটিলা ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙার চেষ্টা

প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
গাজা অভিমুখী ফ্লোটিলা ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙার চেষ্টা

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ফিলিস্তিনের গাজা অভিমুখী ত্রাণবাহী নৌযান আটককে ইসরায়েলের ‘জলদস্যুর কাজ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। নিজের রাজনৈতিক দল একে পার্টির সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন।

এরদোয়ান বলেন, আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইসরায়েলের পদক্ষেপ প্রমাণ করে, গণহত্যাকারীরা গাজায় নিজেদের অপরাধ ঢাকার জন্য উন্মাদ হয়ে উঠেছে। তিনি আরও জানান, ইসরায়েল শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাও সহ্য করতে পারছে না।

প্রায় ৪৫টি জাহাজ নিয়ে গঠিত ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ গত মাসে স্পেন থেকে গাজার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানবাধিকারকর্মী ও রাজনীতিবিদরা অংশ নেন, যার মধ্যে সুইডিশ জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও রয়েছেন। এই নৌবহরের মূল লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের গাজার ওপর আরোপিত সামুদ্রিক অবরোধ ভাঙা।

ইসরায়েলি নৌবাহিনী বুধবার থেকে বহরে থাকা নৌযানগুলো আটক করতে শুরু করে। ফ্লোটিলার ৪৫টি জাহাজের প্রায় সবকটিই আটক হয়। ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যাত্রীরা নিরাপদে ইসরায়েলে আনা হয়েছে এবং ইউরোপে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।

এরদোয়ান বলেন, তুরস্ক ফিলিস্তিনের জনগণকে ছেড়ে দেবে না এবং শান্তি ও যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করবে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


গাজা অভিমুখী ফ্লোটিলা ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙার চেষ্টা

প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫

featured Image

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ফিলিস্তিনের গাজা অভিমুখী ত্রাণবাহী নৌযান আটককে ইসরায়েলের ‘জলদস্যুর কাজ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। নিজের রাজনৈতিক দল একে পার্টির সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন।

এরদোয়ান বলেন, আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইসরায়েলের পদক্ষেপ প্রমাণ করে, গণহত্যাকারীরা গাজায় নিজেদের অপরাধ ঢাকার জন্য উন্মাদ হয়ে উঠেছে। তিনি আরও জানান, ইসরায়েল শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাও সহ্য করতে পারছে না।

প্রায় ৪৫টি জাহাজ নিয়ে গঠিত ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ গত মাসে স্পেন থেকে গাজার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানবাধিকারকর্মী ও রাজনীতিবিদরা অংশ নেন, যার মধ্যে সুইডিশ জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও রয়েছেন। এই নৌবহরের মূল লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের গাজার ওপর আরোপিত সামুদ্রিক অবরোধ ভাঙা।

ইসরায়েলি নৌবাহিনী বুধবার থেকে বহরে থাকা নৌযানগুলো আটক করতে শুরু করে। ফ্লোটিলার ৪৫টি জাহাজের প্রায় সবকটিই আটক হয়। ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যাত্রীরা নিরাপদে ইসরায়েলে আনা হয়েছে এবং ইউরোপে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।

এরদোয়ান বলেন, তুরস্ক ফিলিস্তিনের জনগণকে ছেড়ে দেবে না এবং শান্তি ও যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করবে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত