জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় মৎস্য অফিস ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল ও ভুত জাল (স্থানীয়ভাবে চায়না দুয়ারী জাল নামে পরিচিত) জব্দ ও ধ্বংস করা হয়েছে।
গত ৭ আগস্ট, ১১ আগস্ট এবং বুধবার (১৩ আগস্ট) — তিন দফায় পরিচালিত এ অভিযানে উপজেলার হাতিয়র থেকে বৈরাগীর হাট পর্যন্ত রাস্তার পাশ, পুনট হাট, মোলামগারী হাট, কানমোনা-হারাবতী খাল, এবং করিমপুর থেকে পুনট বাজার পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় এসব জাল জব্দ করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন কালাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শামিমা আক্তার জাহান ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তৌহিদা মোহতামিম। জব্দকৃত জাল পরে উপজেলা চত্বরে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
ইউএনও শামিমা আক্তার জাহান বলেন, “অবৈধ জাল বিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। এবার হয়তো প্রচারের সুযোগ কম হয়েছে, তবে শিগগিরই আরও বৃহৎ পরিসরে অভিযান চালানো হবে। আমরা চাই জনগণ সচেতন হয়ে নিজে থেকেই অবৈধ মাছ ধরার পদ্ধতি বন্ধ করুক।”
মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ ধরনের অবৈধ জাল ব্যবহার মাছের প্রজনন ও জলজ প্রাণীর জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৫
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় মৎস্য অফিস ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল ও ভুত জাল (স্থানীয়ভাবে চায়না দুয়ারী জাল নামে পরিচিত) জব্দ ও ধ্বংস করা হয়েছে।
গত ৭ আগস্ট, ১১ আগস্ট এবং বুধবার (১৩ আগস্ট) — তিন দফায় পরিচালিত এ অভিযানে উপজেলার হাতিয়র থেকে বৈরাগীর হাট পর্যন্ত রাস্তার পাশ, পুনট হাট, মোলামগারী হাট, কানমোনা-হারাবতী খাল, এবং করিমপুর থেকে পুনট বাজার পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় এসব জাল জব্দ করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন কালাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শামিমা আক্তার জাহান ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তৌহিদা মোহতামিম। জব্দকৃত জাল পরে উপজেলা চত্বরে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
ইউএনও শামিমা আক্তার জাহান বলেন, “অবৈধ জাল বিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। এবার হয়তো প্রচারের সুযোগ কম হয়েছে, তবে শিগগিরই আরও বৃহৎ পরিসরে অভিযান চালানো হবে। আমরা চাই জনগণ সচেতন হয়ে নিজে থেকেই অবৈধ মাছ ধরার পদ্ধতি বন্ধ করুক।”
মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ ধরনের অবৈধ জাল ব্যবহার মাছের প্রজনন ও জলজ প্রাণীর জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
