চেক পোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

ইসরায়েল স্বীকৃতি দিলো সোমালিল্যান্ডকে

প্রকাশ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
ইসরায়েল স্বীকৃতি দিলো সোমালিল্যান্ডকে

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেন। ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করা এই অঞ্চল ৩৩ বছরের কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা কাটিয়ে এখন ইসরায়েলের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ সম্পর্ক স্থাপনের পথে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া ‘আব্রাহাম চুক্তি’ এর আলোকে দুই দেশ শীঘ্রই রাষ্ট্রদূত নিয়োগ ও দূতাবাস খোলার প্রক্রিয়া শুরু করবে। ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার জানিয়েছেন, দুই সরকারের মধ্যে এক বছরের আলোচনার পর যৌথ ঘোষণাপত্র সই হয়েছে। সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আবদিরাহমান মোহামেদ আবদুল্লাহি ভিডিও কলে নেতানিয়াহুকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তার দেশ চুক্তিতে যোগ দিতে প্রস্তুত।

তবে সোমালিয়া সরকার এবং মিশর, তুরস্ক, জিবুতি এর মতো দেশগুলো এই স্বীকৃতিকে নিজেদের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে। আফ্রিকান ইউনিয়নও এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের একক স্বীকৃতি পূর্ব আফ্রিকার ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। সোমালিল্যান্ড দীর্ঘদিন স্থিতিশীল থাকলেও এখনো কোনো পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়নি। আন্তর্জাতিক নজর এখন ওয়াশিংটনের দিকে। দেখা যাচ্ছে, ইসরায়েলের পথ অনুসরণ করে অন্য কোনো মিত্র দেশ সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেয় কি না।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


ইসরায়েল স্বীকৃতি দিলো সোমালিল্যান্ডকে

প্রকাশের তারিখ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেন। ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করা এই অঞ্চল ৩৩ বছরের কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা কাটিয়ে এখন ইসরায়েলের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ সম্পর্ক স্থাপনের পথে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া ‘আব্রাহাম চুক্তি’ এর আলোকে দুই দেশ শীঘ্রই রাষ্ট্রদূত নিয়োগ ও দূতাবাস খোলার প্রক্রিয়া শুরু করবে। ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার জানিয়েছেন, দুই সরকারের মধ্যে এক বছরের আলোচনার পর যৌথ ঘোষণাপত্র সই হয়েছে। সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আবদিরাহমান মোহামেদ আবদুল্লাহি ভিডিও কলে নেতানিয়াহুকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তার দেশ চুক্তিতে যোগ দিতে প্রস্তুত।

তবে সোমালিয়া সরকার এবং মিশর, তুরস্ক, জিবুতি এর মতো দেশগুলো এই স্বীকৃতিকে নিজেদের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে। আফ্রিকান ইউনিয়নও এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের একক স্বীকৃতি পূর্ব আফ্রিকার ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। সোমালিল্যান্ড দীর্ঘদিন স্থিতিশীল থাকলেও এখনো কোনো পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়নি। আন্তর্জাতিক নজর এখন ওয়াশিংটনের দিকে। দেখা যাচ্ছে, ইসরায়েলের পথ অনুসরণ করে অন্য কোনো মিত্র দেশ সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেয় কি না।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত