চেক পোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

ইরানে হামলা চালিয়ে যেতে ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন সৌদি যুবরাজ

প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
ইরানে হামলা চালিয়ে যেতে ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন সৌদি যুবরাজ
ইরানে হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। তিনি ট্রাম্পকে বলেছেন, ইরান যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যকে পুনর্গঠনের এক ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ এনে দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস এ সংবাদ প্রকাশ করে। সৌদি যুবরাজ সালমানের সঙ্গে গত সপ্তাহে বেশ কয়েকবার ফোনালাপ করেছেন ট্রাম্প। ওই সময় সালমান বলেন, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদি হুমকির মুখে রেখেছে। এখন ইরানকে নির্মূল করলে দেশটির হুমকি দূর করা যেতে পারে। তবে সৌদি সরকারের কর্মকর্তারা এ বিষয়টি স্বীকার করেননি। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বড় আকারের হামলার পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এ আক্রমণে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। এ ছাড়া ১৫০ জনেরও বেশি স্কুলছাত্রী এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাসহ ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা যান। ইরানও পাল্টা হামলা চালিয়ে প্রতিশোধ নিয়েছে। দেশটি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি, কূটনৈতিক স্থাপনা এবং সামরিক কর্মীদের লক্ষ্য করে আক্রমণ করেছে। ইসরায়েলি শহরগুলোতেও ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরানি সেনারা। এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


ইরানে হামলা চালিয়ে যেতে ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন সৌদি যুবরাজ

প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬

featured Image
ইরানে হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। তিনি ট্রাম্পকে বলেছেন, ইরান যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যকে পুনর্গঠনের এক ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ এনে দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস এ সংবাদ প্রকাশ করে। সৌদি যুবরাজ সালমানের সঙ্গে গত সপ্তাহে বেশ কয়েকবার ফোনালাপ করেছেন ট্রাম্প। ওই সময় সালমান বলেন, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদি হুমকির মুখে রেখেছে। এখন ইরানকে নির্মূল করলে দেশটির হুমকি দূর করা যেতে পারে। তবে সৌদি সরকারের কর্মকর্তারা এ বিষয়টি স্বীকার করেননি। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বড় আকারের হামলার পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এ আক্রমণে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। এ ছাড়া ১৫০ জনেরও বেশি স্কুলছাত্রী এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাসহ ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা যান। ইরানও পাল্টা হামলা চালিয়ে প্রতিশোধ নিয়েছে। দেশটি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি, কূটনৈতিক স্থাপনা এবং সামরিক কর্মীদের লক্ষ্য করে আক্রমণ করেছে। ইসরায়েলি শহরগুলোতেও ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরানি সেনারা। এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত