বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

আর্কাইভ

ইরানের পাশে থাকার ঘোষণা চীনের

প্রকাশ : ০২ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
ইরানের পাশে থাকার ঘোষণা চীনের
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় তেহরানের প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছে চীন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে বেইজিং এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে ‘জঙ্গলের আইন’-এর সঙ্গে তুলনা করেছে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভি জানায়, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে ফোন করে বেইজিংয়ের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, চীন-ইরান ঐতিহাসিক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষায় বেইজিং পূর্ণ সমর্থন দেবে। পাশাপাশি ইরানের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণে চীন পাশে থাকবে। ওয়াং ই অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, উত্তেজনা যাতে আর না বাড়ে এবং সংঘাত যেন সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সতর্ক থাকতে হবে। ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদির সঙ্গে পৃথক আলাপেও ওয়াং ই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ সনদের নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, তারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ উসকে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও সংঘাত বন্ধে চীন গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত।
এদিকে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারোর সঙ্গে আলোচনায় ওয়াং ই বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বিশ্ব আবারও ‘জঙ্গলের আইন’-এর দিকে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। কোনো পরাশক্তি কেবল সামরিক শক্তির জোরে অন্য দেশের ওপর নির্বিচারে হামলা চালাতে পারে না। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ইরানের পারমাণবিক ইস্যুর টেকসই সমাধান রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পথেই খুঁজে বের করতে হবে। সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

চেকপোস্ট

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬


ইরানের পাশে থাকার ঘোষণা চীনের

প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬

featured Image
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় তেহরানের প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছে চীন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে বেইজিং এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে ‘জঙ্গলের আইন’-এর সঙ্গে তুলনা করেছে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভি জানায়, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে ফোন করে বেইজিংয়ের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, চীন-ইরান ঐতিহাসিক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষায় বেইজিং পূর্ণ সমর্থন দেবে। পাশাপাশি ইরানের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণে চীন পাশে থাকবে। ওয়াং ই অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, উত্তেজনা যাতে আর না বাড়ে এবং সংঘাত যেন সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সতর্ক থাকতে হবে। ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদির সঙ্গে পৃথক আলাপেও ওয়াং ই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ সনদের নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, তারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ উসকে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও সংঘাত বন্ধে চীন গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত।
এদিকে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারোর সঙ্গে আলোচনায় ওয়াং ই বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বিশ্ব আবারও ‘জঙ্গলের আইন’-এর দিকে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। কোনো পরাশক্তি কেবল সামরিক শক্তির জোরে অন্য দেশের ওপর নির্বিচারে হামলা চালাতে পারে না। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ইরানের পারমাণবিক ইস্যুর টেকসই সমাধান রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পথেই খুঁজে বের করতে হবে। সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত