চেক পোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

ইতালির পাগলিয়ারা গ্রামে ৩০ বছরের পর প্রথম শিশু জন্ম

প্রকাশ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
ইতালির পাগলিয়ারা গ্রামে ৩০ বছরের পর প্রথম শিশু জন্ম

ইতালির আবরুজো অঞ্চলের পাগলিয়ারা দেই মার্সি গ্রামে ৩০ বছরের বিরতির পর প্রথম শিশু জন্ম নিয়েছে। শিশুটির নাম লারা বুসি ট্রাবুক্কো। জন্মের সঙ্গে সঙ্গে গ্রামের মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০-এ। জন্মের আনন্দে গ্রামের গির্জায় আয়োজিত খ্রিস্টধর্মে দীক্ষা অনুষ্ঠানে গ্রামের মানুষ ও বিড়ালরা উপস্থিত ছিলেন।

লারার মা সিনজিয়া ট্রাবুক্কো জানান, লারার জন্মের খবর ইতিমধ্যেই গ্রামের খ্যাতি বাড়িয়েছে এবং অনেকে শিশু দেখতে আসছেন। লারার আগমন শুধু স্থানীয়দের জন্য নয়, এটি ইতালির জাতীয় জনসংখ্যা সংকটের প্রতিফলনও। ২০২৪ সালে দেশটির জন্মহার ছিল মাত্র ৩,৬৯,৯৪৪, যা ইতিহাসের সর্বনিম্ন। প্রজনন হার মাত্র ১.১৮, ইউরোপের মধ্যে অন্যতম কম।

আবরুজো অঞ্চলে জনসংখ্যা সংকট সবচেয়ে গভীর। স্কুলগুলো শিক্ষার্থীহীন হয়ে যাচ্ছে, বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, এবং সরকারি খরচ ও সামাজিক সেবার ওপর চাপ বাড়ছে। স্থানীয় মেয়র জিউসেপিনা পেরোজ্জি বলেন, “লারার জন্ম আমাদের আশা দেখাচ্ছে। আশা করি আরও দম্পতিগণ এখানে সন্তান জন্ম দেবেন।”

লারার মা বলেন, শুধু অর্থ প্রণোদনা দিয়ে জন্মহার বাড়ানো সম্ভব নয়। পুরো সমাজব্যবস্থা পরিবর্তন করা প্রয়োজন, কারণ করের হার অনেক হলেও জীবনমান ও সামাজিক সেবার মান পর্যাপ্ত নয়।

লারার বাবা-মা আশাবাদী, লারার জন্ম নতুন প্রজন্মের আগমন ও গ্রামে জীবন ফিরিয়ে আনবে। তবে শিশুর যত্ন এবং ভালো শিক্ষার নিশ্চয়তা এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


ইতালির পাগলিয়ারা গ্রামে ৩০ বছরের পর প্রথম শিশু জন্ম

প্রকাশের তারিখ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

ইতালির আবরুজো অঞ্চলের পাগলিয়ারা দেই মার্সি গ্রামে ৩০ বছরের বিরতির পর প্রথম শিশু জন্ম নিয়েছে। শিশুটির নাম লারা বুসি ট্রাবুক্কো। জন্মের সঙ্গে সঙ্গে গ্রামের মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০-এ। জন্মের আনন্দে গ্রামের গির্জায় আয়োজিত খ্রিস্টধর্মে দীক্ষা অনুষ্ঠানে গ্রামের মানুষ ও বিড়ালরা উপস্থিত ছিলেন।

লারার মা সিনজিয়া ট্রাবুক্কো জানান, লারার জন্মের খবর ইতিমধ্যেই গ্রামের খ্যাতি বাড়িয়েছে এবং অনেকে শিশু দেখতে আসছেন। লারার আগমন শুধু স্থানীয়দের জন্য নয়, এটি ইতালির জাতীয় জনসংখ্যা সংকটের প্রতিফলনও। ২০২৪ সালে দেশটির জন্মহার ছিল মাত্র ৩,৬৯,৯৪৪, যা ইতিহাসের সর্বনিম্ন। প্রজনন হার মাত্র ১.১৮, ইউরোপের মধ্যে অন্যতম কম।

আবরুজো অঞ্চলে জনসংখ্যা সংকট সবচেয়ে গভীর। স্কুলগুলো শিক্ষার্থীহীন হয়ে যাচ্ছে, বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, এবং সরকারি খরচ ও সামাজিক সেবার ওপর চাপ বাড়ছে। স্থানীয় মেয়র জিউসেপিনা পেরোজ্জি বলেন, “লারার জন্ম আমাদের আশা দেখাচ্ছে। আশা করি আরও দম্পতিগণ এখানে সন্তান জন্ম দেবেন।”

লারার মা বলেন, শুধু অর্থ প্রণোদনা দিয়ে জন্মহার বাড়ানো সম্ভব নয়। পুরো সমাজব্যবস্থা পরিবর্তন করা প্রয়োজন, কারণ করের হার অনেক হলেও জীবনমান ও সামাজিক সেবার মান পর্যাপ্ত নয়।

লারার বাবা-মা আশাবাদী, লারার জন্ম নতুন প্রজন্মের আগমন ও গ্রামে জীবন ফিরিয়ে আনবে। তবে শিশুর যত্ন এবং ভালো শিক্ষার নিশ্চয়তা এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত