চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

অবশেষে প্রেমের জয়, রাজশাহীতে দুই প্রতিবন্ধীর বিয়ে

প্রকাশ : ২৯ জুলাই ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
অবশেষে প্রেমের জয়, রাজশাহীতে দুই প্রতিবন্ধীর বিয়ে

দীর্ঘ দুই বছরের প্রেমের পরিণতি হিসেবে অবশেষে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন শারীরিক প্রতিবন্ধী চামেলী খাতুন ও আব্দুর রহমান। ভালোবাসা জয়ী হয়েছে সব বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে। শুক্রবার (২৬ জুলাই) রাজশাহী নগরীর ছোটবনগ্রাম এলাকায় জাঁকজমক আয়োজনে এই দুই প্রেমিক-প্রেমিকার বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বিয়ের আনুষ্ঠানিকতায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। পুরো আয়োজনটি সম্পন্ন করেন এলাকার একজন মানবিক উদ্যোগতা ও অটোরিকশা গ্যারেজ মালিক মো. শফিকুল ইসলাম।

সন্ধ্যায় ‘গায়ে হলুদ’-এর পর আনুষ্ঠানিকভাবে কাজী অফিসের মাধ্যমে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। দেনমোহর ধার্য করা হয় ৮০ হাজার টাকা, যার মধ্যে ২ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করেন বর আব্দুর রহমান।

রাজশাহীর পবা উপজেলার মাধইপাড়া গ্রামের মো. কমিম উদ্দিনের মেয়ে মোসা. চামেলী খাতুন। অন্যদিকে বর আব্দুর রহমান চট্টগ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিজেকে এতিম দাবি করলেও তার পারিবারিক পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।

জানা যায়, দুই বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্রে শুরু হয় তাদের বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা। প্রেমিক আব্দুর রহমান সম্প্রতি চট্টগ্রাম থেকে রাজশাহীতে এসে খালি হাতে অবস্থান নিতে শুরু করেন চামেলীর বাড়ির আশেপাশে। এখানেই তার পরিচয় হয় গ্যারেজ মালিক শফিকুল ইসলামের সঙ্গে।

শফিকুল ইসলামের কাছে নিজের প্রেমের কথা খুলে বলেন আব্দুর রহমান। এরপর মানবিক দৃষ্টিতে শফিকুল তাকে নিজের গ্যারেজে চাকরি দেন। একই এলাকায় থাকায় তাদের প্রেমের সম্পর্ক আরও গভীর হয়।

প্রেমের সম্পর্ক জানাজানি হলে এলাকাবাসী উদ্যোগ নিয়ে তাদের বিবাহের ব্যবস্থা করেন। সামাজিকভাবে আয়োজিত এই বিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে একটি মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


অবশেষে প্রেমের জয়, রাজশাহীতে দুই প্রতিবন্ধীর বিয়ে

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৫

featured Image

দীর্ঘ দুই বছরের প্রেমের পরিণতি হিসেবে অবশেষে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন শারীরিক প্রতিবন্ধী চামেলী খাতুন ও আব্দুর রহমান। ভালোবাসা জয়ী হয়েছে সব বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে। শুক্রবার (২৬ জুলাই) রাজশাহী নগরীর ছোটবনগ্রাম এলাকায় জাঁকজমক আয়োজনে এই দুই প্রেমিক-প্রেমিকার বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বিয়ের আনুষ্ঠানিকতায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। পুরো আয়োজনটি সম্পন্ন করেন এলাকার একজন মানবিক উদ্যোগতা ও অটোরিকশা গ্যারেজ মালিক মো. শফিকুল ইসলাম।

সন্ধ্যায় ‘গায়ে হলুদ’-এর পর আনুষ্ঠানিকভাবে কাজী অফিসের মাধ্যমে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। দেনমোহর ধার্য করা হয় ৮০ হাজার টাকা, যার মধ্যে ২ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করেন বর আব্দুর রহমান।

রাজশাহীর পবা উপজেলার মাধইপাড়া গ্রামের মো. কমিম উদ্দিনের মেয়ে মোসা. চামেলী খাতুন। অন্যদিকে বর আব্দুর রহমান চট্টগ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিজেকে এতিম দাবি করলেও তার পারিবারিক পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।

জানা যায়, দুই বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্রে শুরু হয় তাদের বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা। প্রেমিক আব্দুর রহমান সম্প্রতি চট্টগ্রাম থেকে রাজশাহীতে এসে খালি হাতে অবস্থান নিতে শুরু করেন চামেলীর বাড়ির আশেপাশে। এখানেই তার পরিচয় হয় গ্যারেজ মালিক শফিকুল ইসলামের সঙ্গে।

শফিকুল ইসলামের কাছে নিজের প্রেমের কথা খুলে বলেন আব্দুর রহমান। এরপর মানবিক দৃষ্টিতে শফিকুল তাকে নিজের গ্যারেজে চাকরি দেন। একই এলাকায় থাকায় তাদের প্রেমের সম্পর্ক আরও গভীর হয়।

প্রেমের সম্পর্ক জানাজানি হলে এলাকাবাসী উদ্যোগ নিয়ে তাদের বিবাহের ব্যবস্থা করেন। সামাজিকভাবে আয়োজিত এই বিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে একটি মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত