সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

এ ঘটনা কাউকে জানালে জিন দিয়ে মেরে ফেলার ভয় দেখান ওই শিক্ষক

হবিগঞ্জে স্কুলছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জে স্কুলছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার
ছবি: প্রতিকী

হবিগঞ্জ শহরের রাজনগরে জান্নাতুল মাওয়া কওমি মাদ্রাসায় ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার কথা বলে এক স্কুলছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে মাওলানা সাদেকুল ইসলাম (৩৫) নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় মাদ্রাসা থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশ। তিনি নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের রাব্বানী মিয়ার ছেলে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হবিগঞ্জের দি রোজেস স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার কথা বলে ওই শিক্ষার্থীকে কৌশলে মাদ্রাসায় নিয়ে যান শিক্ষক সাদেকুল ইসলাম। সেখানে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা কাউকে জানালে জিন দিয়ে মেরে ফেলার ভয় দেখান ওই শিক্ষক। পরে শিক্ষার্থী তার মেসে ফিরে এক সাংবাদিককে বিষয়টি জানায়। এরপর স্থানীয়রা মিলে অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদ্রাসা থেকে আটক করেন এবং পুলিশে খবর দেন।

এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষককে থানায় নেওয়ার পর মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষক সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় উত্তেজিত জনতার সঙ্গে তাঁদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে ওসির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

জানা গেছে, জান্নাতুল মাওয়া কওমি মাদ্রাসাটি পরিচালনা করেন নবীগঞ্জ-বাহুবল আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মিরপুরী।

হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বানিয়াচং উপজেলার সাঙ্গর গ্রামের আব্দুর রউফ বাদী হয়ে মামলা করেছেন। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। আটক শিক্ষককে আদালতে পাঠানো হয়েছে।


চেকপোস্ট

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


হবিগঞ্জে স্কুলছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জ শহরের রাজনগরে জান্নাতুল মাওয়া কওমি মাদ্রাসায় ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার কথা বলে এক স্কুলছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে মাওলানা সাদেকুল ইসলাম (৩৫) নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় মাদ্রাসা থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশ। তিনি নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের রাব্বানী মিয়ার ছেলে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হবিগঞ্জের দি রোজেস স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার কথা বলে ওই শিক্ষার্থীকে কৌশলে মাদ্রাসায় নিয়ে যান শিক্ষক সাদেকুল ইসলাম। সেখানে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা কাউকে জানালে জিন দিয়ে মেরে ফেলার ভয় দেখান ওই শিক্ষক। পরে শিক্ষার্থী তার মেসে ফিরে এক সাংবাদিককে বিষয়টি জানায়। এরপর স্থানীয়রা মিলে অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদ্রাসা থেকে আটক করেন এবং পুলিশে খবর দেন।

এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষককে থানায় নেওয়ার পর মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষক সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় উত্তেজিত জনতার সঙ্গে তাঁদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে ওসির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

জানা গেছে, জান্নাতুল মাওয়া কওমি মাদ্রাসাটি পরিচালনা করেন নবীগঞ্জ-বাহুবল আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মিরপুরী।

হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বানিয়াচং উপজেলার সাঙ্গর গ্রামের আব্দুর রউফ বাদী হয়ে মামলা করেছেন। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। আটক শিক্ষককে আদালতে পাঠানো হয়েছে।



চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত