মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার বাস্তা গ্রামের রিদয় চৌধুরী ও শিবালয় উপজেলার টাওয়াখালী গ্রামের দিপালী আক্তারের প্রায় তিন মাস আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তবে পারিবারিক বিরোধের জেরে বর্তমানে তারা আলাদা অবস্থান করছেন।
রিদয় চৌধুরীর দাবি, গত ২৩ জুন ২০২৬ তারিখে দিপালী আক্তার কর্মস্থল থেকে বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে শ্বশুরবাড়িতে গেলে স্থানীয়ভাবে সালিশ অনুষ্ঠিত হলেও তাকে স্ত্রীর সঙ্গে ফিরতে দেওয়া হয়নি।
জানা গেছে, দিপালী আক্তার শিবালয় উপজেলার গোয়ালখালী এলাকায় অবস্থিত চায়না হার্ডওয়্যার বাংলাদেশ লিমিটেডে কর্মরত।
রিদয় চৌধুরী বলেন, তিনি তার স্ত্রীকে ফিরে পেতে চান এবং এ ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তিনি আরও দাবি করেন, তার স্ত্রী প্রায় এক মাসের অন্তঃসত্ত্বা এবং স্ত্রীর পরিবার তাকে স্বামীর সংসারে ফিরে আসতে বাধা দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, স্ত্রীকে ফিরে না পেলে তিনি আত্মহত্যার মতো চরম সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন।
তবে দিপালী আক্তার বা তার পরিবারের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে রিদয় চৌধুরীর অভিযোগের বিষয়ে তাদের মতামত জানা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা উভয় পক্ষকে শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়েছেন।

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার বাস্তা গ্রামের রিদয় চৌধুরী ও শিবালয় উপজেলার টাওয়াখালী গ্রামের দিপালী আক্তারের প্রায় তিন মাস আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তবে পারিবারিক বিরোধের জেরে বর্তমানে তারা আলাদা অবস্থান করছেন।
রিদয় চৌধুরীর দাবি, গত ২৩ জুন ২০২৬ তারিখে দিপালী আক্তার কর্মস্থল থেকে বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে শ্বশুরবাড়িতে গেলে স্থানীয়ভাবে সালিশ অনুষ্ঠিত হলেও তাকে স্ত্রীর সঙ্গে ফিরতে দেওয়া হয়নি।
জানা গেছে, দিপালী আক্তার শিবালয় উপজেলার গোয়ালখালী এলাকায় অবস্থিত চায়না হার্ডওয়্যার বাংলাদেশ লিমিটেডে কর্মরত।
রিদয় চৌধুরী বলেন, তিনি তার স্ত্রীকে ফিরে পেতে চান এবং এ ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তিনি আরও দাবি করেন, তার স্ত্রী প্রায় এক মাসের অন্তঃসত্ত্বা এবং স্ত্রীর পরিবার তাকে স্বামীর সংসারে ফিরে আসতে বাধা দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, স্ত্রীকে ফিরে না পেলে তিনি আত্মহত্যার মতো চরম সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন।
তবে দিপালী আক্তার বা তার পরিবারের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে রিদয় চৌধুরীর অভিযোগের বিষয়ে তাদের মতামত জানা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা উভয় পক্ষকে শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়েছেন।
