সৌদি আরবে আকামা (বাসস্থান), সীমান্ত নিরাপত্তা ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে এক সপ্তাহে ১৪ হাজার ১৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ২৭ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর যৌথ অভিযানে এসব গ্রেপ্তার করা হয়।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারদের মধ্যে ৭ হাজার ১২১ জন বাসস্থান আইন, ৩ হাজার ৬৩৬ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন এবং ৩ হাজার ৪০৮ জন শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক হয়েছেন।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে ইতোমধ্যে ১২ হাজার ৩৬৩ জন অবৈধ বাসিন্দাকে সৌদি আরব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৮ হাজার ৯৩৭ জন আইন লঙ্ঘনকারীকে ভ্রমণ নথিপত্র বা আউটপাস সংগ্রহের জন্য নিজ নিজ দেশের কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ৩ হাজার ২৪০ জনকে ভ্রমণের টিকিট বুকিং সম্পন্ন করার জন্য পাঠানো হয়েছে।
অভিযানের সময় অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করার অভিযোগে আরও ১ হাজার ৩১৫ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৫৮ শতাংশ ইথিওপিয়ার, ৪১ শতাংশ ইয়েমেনের এবং বাকি ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক।
অন্যদিকে অবৈধভাবে সৌদি আরব ছাড়ার চেষ্টা করার সময় আরও ৪২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অবৈধ অভিবাসীদের পরিবহন, আশ্রয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগে আরও ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সৌদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
বর্তমানে ২৭ হাজার ৮৪৫ জন পুরুষ ও ১ হাজার ৯২৮ জন নারীসহ মোট ২৯ হাজার ৭৭৩ জনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কঠোর সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, কেউ অবৈধভাবে কোনো ব্যক্তিকে সৌদি আরবে প্রবেশে সহায়তা করলে, যাতায়াতের ব্যবস্থা করলে, আশ্রয় দিলে বা অন্য কোনো সহায়তা করলে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে।
এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। একই সঙ্গে অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন এবং অবৈধ ব্যক্তিকে আশ্রয় দেওয়া বাড়িও বাজেয়াপ্ত করার বিধান রয়েছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষের এই অভিযান ও সতর্কবার্তায় দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসীদের বৈধ কাগজপত্র ও আইন মেনে চলার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সৌদি আরবে আকামা (বাসস্থান), সীমান্ত নিরাপত্তা ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে এক সপ্তাহে ১৪ হাজার ১৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ২৭ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর যৌথ অভিযানে এসব গ্রেপ্তার করা হয়।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারদের মধ্যে ৭ হাজার ১২১ জন বাসস্থান আইন, ৩ হাজার ৬৩৬ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন এবং ৩ হাজার ৪০৮ জন শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক হয়েছেন।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে ইতোমধ্যে ১২ হাজার ৩৬৩ জন অবৈধ বাসিন্দাকে সৌদি আরব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৮ হাজার ৯৩৭ জন আইন লঙ্ঘনকারীকে ভ্রমণ নথিপত্র বা আউটপাস সংগ্রহের জন্য নিজ নিজ দেশের কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ৩ হাজার ২৪০ জনকে ভ্রমণের টিকিট বুকিং সম্পন্ন করার জন্য পাঠানো হয়েছে।
অভিযানের সময় অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করার অভিযোগে আরও ১ হাজার ৩১৫ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৫৮ শতাংশ ইথিওপিয়ার, ৪১ শতাংশ ইয়েমেনের এবং বাকি ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক।
অন্যদিকে অবৈধভাবে সৌদি আরব ছাড়ার চেষ্টা করার সময় আরও ৪২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অবৈধ অভিবাসীদের পরিবহন, আশ্রয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগে আরও ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সৌদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
বর্তমানে ২৭ হাজার ৮৪৫ জন পুরুষ ও ১ হাজার ৯২৮ জন নারীসহ মোট ২৯ হাজার ৭৭৩ জনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কঠোর সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, কেউ অবৈধভাবে কোনো ব্যক্তিকে সৌদি আরবে প্রবেশে সহায়তা করলে, যাতায়াতের ব্যবস্থা করলে, আশ্রয় দিলে বা অন্য কোনো সহায়তা করলে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে।
এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। একই সঙ্গে অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন এবং অবৈধ ব্যক্তিকে আশ্রয় দেওয়া বাড়িও বাজেয়াপ্ত করার বিধান রয়েছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষের এই অভিযান ও সতর্কবার্তায় দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসীদের বৈধ কাগজপত্র ও আইন মেনে চলার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।
