ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের আটক ও দমনে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক কমিশন (ইউএসসিআইআরএফ)। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি ভারতের আনলফুল অ্যাক্টিভিটিজ প্রিভেনশন অ্যাক্ট (ইউএপিএ) ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ জানায়।
ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত শিখ অধিকারকর্মী জগতার সিং জোহালকে জামিন দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ইউএসসিআইআরএফ বলেছে, ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতার কারণে আটক অন্য ব্যক্তিদের মুক্তির বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করা উচিত।
দিল্লি হাইকোর্ট ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ জোহালকে সাতটি মামলায় জামিন দেয়। আদালতের নথি অনুযায়ী, জামিনের শর্ত হিসেবে তাকে পাসপোর্ট জমা দিতে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্দিষ্ট ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করতে হয়েছে।
ইউএসসিআইআরএফের দাবি, গ্রেপ্তারের আগে জোহাল ভারতের শিখ সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে ব্লগে লিখতেন। কমিশনের মতে, এসব লেখালেখি আন্তর্জাতিক আইনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সুরক্ষার আওতায় পড়ে।
সংস্থাটি আরও বলেছে, জোহালসহ ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা-সংক্রান্ত মামলায় আটক ব্যক্তিদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। ইউএসসিআইআরএফের ‘ফ্রাঙ্ক আর. উলফ ফ্রিডম অব রিলিজিয়ন অর বিলিফ ভিক্টিমস লিস্ট’-এ জোহালের নামও রয়েছে।
এ ছাড়া উত্তর আমেরিকায় শিখ সম্প্রদায়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ড ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে প্রবাসী শিখদের ওপর কথিত আন্তঃরাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের বিষয়টিও বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে ইউএসসিআইআরএফ।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের আটক ও দমনে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক কমিশন (ইউএসসিআইআরএফ)। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি ভারতের আনলফুল অ্যাক্টিভিটিজ প্রিভেনশন অ্যাক্ট (ইউএপিএ) ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ জানায়।
ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত শিখ অধিকারকর্মী জগতার সিং জোহালকে জামিন দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ইউএসসিআইআরএফ বলেছে, ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতার কারণে আটক অন্য ব্যক্তিদের মুক্তির বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করা উচিত।
দিল্লি হাইকোর্ট ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ জোহালকে সাতটি মামলায় জামিন দেয়। আদালতের নথি অনুযায়ী, জামিনের শর্ত হিসেবে তাকে পাসপোর্ট জমা দিতে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্দিষ্ট ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করতে হয়েছে।
ইউএসসিআইআরএফের দাবি, গ্রেপ্তারের আগে জোহাল ভারতের শিখ সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে ব্লগে লিখতেন। কমিশনের মতে, এসব লেখালেখি আন্তর্জাতিক আইনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সুরক্ষার আওতায় পড়ে।
সংস্থাটি আরও বলেছে, জোহালসহ ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা-সংক্রান্ত মামলায় আটক ব্যক্তিদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। ইউএসসিআইআরএফের ‘ফ্রাঙ্ক আর. উলফ ফ্রিডম অব রিলিজিয়ন অর বিলিফ ভিক্টিমস লিস্ট’-এ জোহালের নামও রয়েছে।
এ ছাড়া উত্তর আমেরিকায় শিখ সম্প্রদায়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ড ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে প্রবাসী শিখদের ওপর কথিত আন্তঃরাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের বিষয়টিও বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে ইউএসসিআইআরএফ।
