সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এর ফলে চলতি বছরে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১ জনে।
শনিবার (২৩ মে) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছিল।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুই শিশু এবং শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়। মৃত শিশুদের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন উপজেলার ৫ মাস থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুরা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে ৪ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরও ৪৭ জন শিশু।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৫৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে ২৯৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন।
এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৮৯ জন এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৮ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। বাকি রোগীরা বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
চিকিৎসকরা বলছেন, দ্রুত টিকা গ্রহণ, সচেতনতা এবং সময়মতো চিকিৎসা না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এর ফলে চলতি বছরে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১ জনে।
শনিবার (২৩ মে) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছিল।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুই শিশু এবং শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়। মৃত শিশুদের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন উপজেলার ৫ মাস থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুরা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে ৪ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরও ৪৭ জন শিশু।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৫৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে ২৯৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন।
এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৮৯ জন এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৮ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। বাকি রোগীরা বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
চিকিৎসকরা বলছেন, দ্রুত টিকা গ্রহণ, সচেতনতা এবং সময়মতো চিকিৎসা না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
