গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ২৩ নং জিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিলন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিস তাকে শোকজ করলেও পরবর্তীতে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় নতুন করে সমালোচনা শুরু হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মহান শহীদ দিবসে সরকারি কর্মসূচি পালন না করে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন এবং নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সময় দেন। এছাড়া বিদ্যালয়ের ভেতরে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ানোসহ দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগও রয়েছে।
শোকজ পত্রে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হলেও তিনি লিখিত জবাবে কিছু অভিযোগ স্বীকার করেন এবং কিছু অস্বীকার করেন। তবে অভিযোগ স্বীকারের পরও কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার পরও ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম আরও বাড়তে পারে। তবে বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আগেও একাধিকবার তাকে শোকজ করা হলেও তিনি রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে পার পেয়ে গেছেন বলে আলোচনা রয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মিলন বিশ্বাস কিছু অভিযোগ স্বীকার করলেও বিস্তারিত প্রশ্ন এড়িয়ে যান। অন্যদিকে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান মিয়া বলেন, শিক্ষক ভুল স্বীকার করায় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এবং ভবিষ্যতে তার আচরণ পর্যবেক্ষণ করা হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে শিক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ২৩ নং জিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিলন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিস তাকে শোকজ করলেও পরবর্তীতে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় নতুন করে সমালোচনা শুরু হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মহান শহীদ দিবসে সরকারি কর্মসূচি পালন না করে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন এবং নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সময় দেন। এছাড়া বিদ্যালয়ের ভেতরে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ানোসহ দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগও রয়েছে।
শোকজ পত্রে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হলেও তিনি লিখিত জবাবে কিছু অভিযোগ স্বীকার করেন এবং কিছু অস্বীকার করেন। তবে অভিযোগ স্বীকারের পরও কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার পরও ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম আরও বাড়তে পারে। তবে বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আগেও একাধিকবার তাকে শোকজ করা হলেও তিনি রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে পার পেয়ে গেছেন বলে আলোচনা রয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মিলন বিশ্বাস কিছু অভিযোগ স্বীকার করলেও বিস্তারিত প্রশ্ন এড়িয়ে যান। অন্যদিকে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান মিয়া বলেন, শিক্ষক ভুল স্বীকার করায় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এবং ভবিষ্যতে তার আচরণ পর্যবেক্ষণ করা হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে শিক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে।
