রাজধানীর মাতুয়াইল এলাকায় সংঘটিত আলোচিত ধর্ষণ, হামলা ও লুটপাট মামলার দুই এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।
র্যাব জানায়, গত ৪ মে রাত প্রায় ১১টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানাধীন মাতুয়াইল এলাকায় এক দম্পতির বাসায় হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি বাসায় প্রবেশ করে মারধর, ভাঙচুর ও মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার সময় গৃহবধূ যৌন সহিংসতার শিকার হন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ১৯ মে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে আসামিদের গ্রেফতারে র্যাব-১০ কে সহায়তার জন্য অনুরোধ করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে র্যাব-১০ এর একটি দল গোপন তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মাতুয়াইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মো. রাকিব হোসেন (২৫) এবং জাহেদুল ইসলাম অনিক (৩২) কে গ্রেফতার করে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১০ জানিয়েছে, নারী নির্যাতন, ধর্ষণসহ সব ধরনের গুরুতর অপরাধের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তারা বদ্ধপরিকর।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
রাজধানীর মাতুয়াইল এলাকায় সংঘটিত আলোচিত ধর্ষণ, হামলা ও লুটপাট মামলার দুই এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।
র্যাব জানায়, গত ৪ মে রাত প্রায় ১১টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানাধীন মাতুয়াইল এলাকায় এক দম্পতির বাসায় হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি বাসায় প্রবেশ করে মারধর, ভাঙচুর ও মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার সময় গৃহবধূ যৌন সহিংসতার শিকার হন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ১৯ মে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে আসামিদের গ্রেফতারে র্যাব-১০ কে সহায়তার জন্য অনুরোধ করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে র্যাব-১০ এর একটি দল গোপন তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মাতুয়াইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মো. রাকিব হোসেন (২৫) এবং জাহেদুল ইসলাম অনিক (৩২) কে গ্রেফতার করে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১০ জানিয়েছে, নারী নির্যাতন, ধর্ষণসহ সব ধরনের গুরুতর অপরাধের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তারা বদ্ধপরিকর।
