নিজ জেলার সন্তান দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত—এই গর্বে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে ঠাকুরগাঁওয়ে। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা সফরে এসেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী হেলিকপ্টার ঠাকুরগাঁও শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে অবতরণ করে। এ সময় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে স্বাগত জানান।
স্টেডিয়াম থেকে রাষ্ট্রপতি সরাসরি সার্কিট হাউজে যান। সেখানে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
পরে শহরের সেনুয়া এলাকায় বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন রাষ্ট্রপতি। সেখানে কিছু সময় অবস্থান করে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতির সফর উপলক্ষে রোববার বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। সকাল থেকেই সংবর্ধনাস্থলের আশপাশে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও প্রত্যন্ত এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ রাষ্ট্রপতিকে একনজর দেখতে ছুটে আসেন। রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি শিক্ষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও এতে অংশ নেন।
নিজ জেলার একজন মানুষ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ায় তাকে সামনে থেকে দেখার সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না বলে জানান সংবর্ধনাস্থলে আসা অনেকে।
রাষ্ট্রপতির আগমনকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁও শহরের বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে বর্ণিল তোরণ। ব্যানার, ফেস্টুন ও আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে বিভিন্ন এলাকা।
ঠাকুরগাঁও নাগরিক সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক আবু মোহাম্মদ খয়রুল কবির বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের সন্তান দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত হওয়া জেলার মানুষের জন্য গর্বের বিষয়। সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে রাষ্ট্রপতিকে স্মরণীয় সংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির দুই দিনের সরকারি সফরের দ্বিতীয় দিন সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা রয়েছে।
শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে জামালপুর এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে শহর ও বিভিন্ন কর্মসূচির স্থানে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। চলাচলের পথ, অনুষ্ঠানস্থল ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রথম নিজ জেলা সফর ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও গর্ব। তার আগমনকে কেন্দ্র করে পুরো ঠাকুরগাঁও যেন পরিণত হয়েছে উৎসবের নগরীতে।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিজ জেলার সন্তান দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত—এই গর্বে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে ঠাকুরগাঁওয়ে। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা সফরে এসেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী হেলিকপ্টার ঠাকুরগাঁও শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে অবতরণ করে। এ সময় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে স্বাগত জানান।
স্টেডিয়াম থেকে রাষ্ট্রপতি সরাসরি সার্কিট হাউজে যান। সেখানে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
পরে শহরের সেনুয়া এলাকায় বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন রাষ্ট্রপতি। সেখানে কিছু সময় অবস্থান করে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতির সফর উপলক্ষে রোববার বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। সকাল থেকেই সংবর্ধনাস্থলের আশপাশে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও প্রত্যন্ত এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ রাষ্ট্রপতিকে একনজর দেখতে ছুটে আসেন। রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি শিক্ষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও এতে অংশ নেন।
নিজ জেলার একজন মানুষ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ায় তাকে সামনে থেকে দেখার সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না বলে জানান সংবর্ধনাস্থলে আসা অনেকে।
রাষ্ট্রপতির আগমনকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁও শহরের বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে বর্ণিল তোরণ। ব্যানার, ফেস্টুন ও আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে বিভিন্ন এলাকা।
ঠাকুরগাঁও নাগরিক সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক আবু মোহাম্মদ খয়রুল কবির বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের সন্তান দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত হওয়া জেলার মানুষের জন্য গর্বের বিষয়। সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে রাষ্ট্রপতিকে স্মরণীয় সংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির দুই দিনের সরকারি সফরের দ্বিতীয় দিন সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা রয়েছে।
শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে জামালপুর এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে শহর ও বিভিন্ন কর্মসূচির স্থানে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। চলাচলের পথ, অনুষ্ঠানস্থল ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রথম নিজ জেলা সফর ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও গর্ব। তার আগমনকে কেন্দ্র করে পুরো ঠাকুরগাঁও যেন পরিণত হয়েছে উৎসবের নগরীতে।
