বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার গিলাতলা গ্রামে এক হিন্দু পরিবারের বসতভিটা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে লিখিত আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী মুরারী মোহন পাল।
রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জমা দেন।
লিখিত অভিযোগে মুরারী মোহন পাল দাবি করেন, গিলাতলা মৌজার এসএ ২৪৭ নম্বর খতিয়ানের ১৩২৪ নম্বর দাগে ০.২২৫০ একর জমির বৈধ মালিক তিনি। জমির দখল পেতে তিনি পূর্বে দেওয়ানি আদালতে মামলা করেন। পরে আদালতের রায়ের ভিত্তিতে ১৯ মার্চ ২০২৫ তারিখে ওই জমির দখল বুঝে পান। এছাড়া পৃথক দুটি নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমেও তিনি জমির মালিকানা অর্জন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তার অভিযোগ, রোববার সকাল ১০টার দিকে প্রতিবেশী নুর মোহাম্মদ শেখ, তার স্ত্রী লিপিকা খাতুন এবং আরও ১০ থেকে ১২ জন সেখানে গিয়ে জোরপূর্বক বেড়া নির্মাণের চেষ্টা করেন। বাধা দিলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদ শেখ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট জমি তার নিজের এবং ভেঙে যাওয়া বেড়া পুনর্নির্মাণ করেছেন। তার ভাষ্য, মুরারী মোহন পালের জমির পরিমাণ নিয়ে বিরোধ রয়েছে এবং তার দাবির পক্ষে প্রয়োজনীয় দলিল রয়েছে।
এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য আগামী বুধবার (৭ জুলাই) উভয় পক্ষকে নোটিশ দিয়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উভয় পক্ষের বক্তব্য ও কাগজপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার গিলাতলা গ্রামে এক হিন্দু পরিবারের বসতভিটা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে লিখিত আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী মুরারী মোহন পাল।
রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জমা দেন।
লিখিত অভিযোগে মুরারী মোহন পাল দাবি করেন, গিলাতলা মৌজার এসএ ২৪৭ নম্বর খতিয়ানের ১৩২৪ নম্বর দাগে ০.২২৫০ একর জমির বৈধ মালিক তিনি। জমির দখল পেতে তিনি পূর্বে দেওয়ানি আদালতে মামলা করেন। পরে আদালতের রায়ের ভিত্তিতে ১৯ মার্চ ২০২৫ তারিখে ওই জমির দখল বুঝে পান। এছাড়া পৃথক দুটি নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমেও তিনি জমির মালিকানা অর্জন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তার অভিযোগ, রোববার সকাল ১০টার দিকে প্রতিবেশী নুর মোহাম্মদ শেখ, তার স্ত্রী লিপিকা খাতুন এবং আরও ১০ থেকে ১২ জন সেখানে গিয়ে জোরপূর্বক বেড়া নির্মাণের চেষ্টা করেন। বাধা দিলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদ শেখ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট জমি তার নিজের এবং ভেঙে যাওয়া বেড়া পুনর্নির্মাণ করেছেন। তার ভাষ্য, মুরারী মোহন পালের জমির পরিমাণ নিয়ে বিরোধ রয়েছে এবং তার দাবির পক্ষে প্রয়োজনীয় দলিল রয়েছে।
এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য আগামী বুধবার (৭ জুলাই) উভয় পক্ষকে নোটিশ দিয়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উভয় পক্ষের বক্তব্য ও কাগজপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
