মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

শত শত মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে

মিয়ানমারে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধস, ১০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা

মিয়ানমারে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধস, ১০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা
মিয়ানমারের দক্ষিণাঞ্চলের তানিনথারি অঞ্চলে বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ছবি : সংগৃহীত

মিয়ানমারের দক্ষিণাঞ্চলের তানিনথারি অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ২০ থেকে ৩০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় একটি ত্রাণ সংস্থা। দুর্গত এলাকায় পৌঁছাতে না পারায় উদ্ধার ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণও ব্যাহত হচ্ছে।

শুক্রবার রাত থেকে তানিনথারি অঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। এতে কয়েকটি টাউনশিপে বন্যা ও ভূমিধস দেখা দিয়েছে। কিছু গ্রামে এখন শুধু হেঁটে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে। ত্রাণকর্মীরা কয়েকশ মানুষকে বাড়িঘর ছেড়ে স্থানীয় মঠের আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিতে দেখেছেন।

স্বেচ্ছাসেবী দাওয়েই জাবুথিরি ইমার্জেন্সি মেডিকেল সার্ভিসের চেয়ারম্যান মিও মিন জানান, এখনো হতাহতের কোনো নিশ্চিত সরকারি হিসাব পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সাত থেকে ১০ জনের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে এবং ২০ থেকে ৩০ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

স্থানীয় আরেকটি উদ্ধারকারী দলের তথ্য অনুযায়ী, লাউংলন টাউনশিপে আটটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ২০ থেকে ৩০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা এখনো নিশ্চিত নয়।

মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ এখনো দুর্যোগে হতাহত নিয়ে কোনো সরকারি সংখ্যা প্রকাশ করেনি। দেশটির চলমান সংঘাতের কারণে দুর্গত এলাকায় যোগাযোগ ও উদ্ধার কার্যক্রম আরও জটিল হয়ে পড়েছে। ফলে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র পেতে সময় লাগতে পারে।

মিয়ানমারের পাশাপাশি ভারী বৃষ্টির প্রভাবে প্রতিবেশী থাইল্যান্ডেও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। প্রায় ৪৮ ঘণ্টার বৃষ্টিতে রাজধানী ব্যাংককের বাড়িঘর, দোকানপাট ও সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়।

ব্যাংকক মেট্রোপলিটন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের তথ্য অনুযায়ী, বন্যার কারণে প্রায় ৪ হাজার ৯০০ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৫২ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড দুই দেশেই একই আবহাওয়া ব্যবস্থার প্রভাবে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। তানিনথারির কিছু এলাকায় এখনো উদ্ধারকর্মীদের প্রবেশে সমস্যা থাকায় পরিস্থিতি পুরোপুরি মূল্যায়ন করা সম্ভব হয়নি।

#বন্যা #মিয়ানমার #ভূমিধস

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মিয়ানমারে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধস, ১০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা

প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

মিয়ানমারের দক্ষিণাঞ্চলের তানিনথারি অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ২০ থেকে ৩০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় একটি ত্রাণ সংস্থা। দুর্গত এলাকায় পৌঁছাতে না পারায় উদ্ধার ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণও ব্যাহত হচ্ছে।

শুক্রবার রাত থেকে তানিনথারি অঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। এতে কয়েকটি টাউনশিপে বন্যা ও ভূমিধস দেখা দিয়েছে। কিছু গ্রামে এখন শুধু হেঁটে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে। ত্রাণকর্মীরা কয়েকশ মানুষকে বাড়িঘর ছেড়ে স্থানীয় মঠের আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিতে দেখেছেন।

স্বেচ্ছাসেবী দাওয়েই জাবুথিরি ইমার্জেন্সি মেডিকেল সার্ভিসের চেয়ারম্যান মিও মিন জানান, এখনো হতাহতের কোনো নিশ্চিত সরকারি হিসাব পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সাত থেকে ১০ জনের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে এবং ২০ থেকে ৩০ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

স্থানীয় আরেকটি উদ্ধারকারী দলের তথ্য অনুযায়ী, লাউংলন টাউনশিপে আটটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ২০ থেকে ৩০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা এখনো নিশ্চিত নয়।

মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ এখনো দুর্যোগে হতাহত নিয়ে কোনো সরকারি সংখ্যা প্রকাশ করেনি। দেশটির চলমান সংঘাতের কারণে দুর্গত এলাকায় যোগাযোগ ও উদ্ধার কার্যক্রম আরও জটিল হয়ে পড়েছে। ফলে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র পেতে সময় লাগতে পারে।

মিয়ানমারের পাশাপাশি ভারী বৃষ্টির প্রভাবে প্রতিবেশী থাইল্যান্ডেও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। প্রায় ৪৮ ঘণ্টার বৃষ্টিতে রাজধানী ব্যাংককের বাড়িঘর, দোকানপাট ও সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়।

ব্যাংকক মেট্রোপলিটন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের তথ্য অনুযায়ী, বন্যার কারণে প্রায় ৪ হাজার ৯০০ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৫২ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড দুই দেশেই একই আবহাওয়া ব্যবস্থার প্রভাবে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। তানিনথারির কিছু এলাকায় এখনো উদ্ধারকর্মীদের প্রবেশে সমস্যা থাকায় পরিস্থিতি পুরোপুরি মূল্যায়ন করা সম্ভব হয়নি।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত