পাবনার বেড়া উপজেলায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান উপলক্ষে যমুনা নদীতে এক বিশেষ মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে। অভিযানকালে ১৮০০ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও ২ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করার পাশাপাশি মৎস্য সুরক্ষা আইন ভঙ্গের দায়ে এক ব্যক্তিকে ৩,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
উপজেলা মৎস্য অফিসের বাস্তবায়নে ও নগরবাড়ী নৌ-পুলিশের সার্বিক সহায়তায় যমুনা নদীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এ অভিযান চালানো হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বেড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরেন মায়িশা খান। অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মোকাররম হোসেন এবং নৌ-পুলিশের একটি চৌকস দল।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, সরকার ঘোষিত নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ রক্ষায় মৎস্য বিভাগ ও নৌ-পুলিশ যৌথভাবে যমুনা নদীতে টহল পরিচালনা করে। টহলকালে অসাধু উপায়ে মাছ ধরার সময় ১৮০০ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও ২ কেজি ইলিশ উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে আইন অমান্য করায় এক জেলেকে ৩,০০০ (তিন হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান শেষে জনসম্মুখে জব্দকৃত অবৈধ কারেন্ট জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। অন্যদিকে উদ্ধারকৃত ২ কেজি ইলিশ মাছ স্থানীয় ৩ জন দুস্থ ও অসচ্ছল ব্যক্তির মাঝে বিতরণ করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রজনন সুরক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে যমুনা নদীতে এ ধরনের কঠোর নজরদারি এবং নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
পাবনার বেড়া উপজেলায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান উপলক্ষে যমুনা নদীতে এক বিশেষ মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে। অভিযানকালে ১৮০০ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও ২ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করার পাশাপাশি মৎস্য সুরক্ষা আইন ভঙ্গের দায়ে এক ব্যক্তিকে ৩,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
উপজেলা মৎস্য অফিসের বাস্তবায়নে ও নগরবাড়ী নৌ-পুলিশের সার্বিক সহায়তায় যমুনা নদীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এ অভিযান চালানো হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বেড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরেন মায়িশা খান। অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মোকাররম হোসেন এবং নৌ-পুলিশের একটি চৌকস দল।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, সরকার ঘোষিত নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ রক্ষায় মৎস্য বিভাগ ও নৌ-পুলিশ যৌথভাবে যমুনা নদীতে টহল পরিচালনা করে। টহলকালে অসাধু উপায়ে মাছ ধরার সময় ১৮০০ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও ২ কেজি ইলিশ উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে আইন অমান্য করায় এক জেলেকে ৩,০০০ (তিন হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান শেষে জনসম্মুখে জব্দকৃত অবৈধ কারেন্ট জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। অন্যদিকে উদ্ধারকৃত ২ কেজি ইলিশ মাছ স্থানীয় ৩ জন দুস্থ ও অসচ্ছল ব্যক্তির মাঝে বিতরণ করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রজনন সুরক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে যমুনা নদীতে এ ধরনের কঠোর নজরদারি এবং নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
