শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

জ্ঞানচর্চা থেকে বঞ্চিত শিক্ষার্থী-তরুণরা

ভবন আছে, বই নেই: ময়লার স্তূপে গঙ্গাচড়া পাবলিক লাইব্রেরি

ভবন আছে, বই নেই: ময়লার স্তূপে গঙ্গাচড়া পাবলিক লাইব্রেরি
ছবি: চেকপোস্ট

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার পাবলিক লাইব্রেরির ভবন আছে, চেয়ার-টেবিলও আছে—শুধু নেই বই, পাঠক আর জ্ঞানচর্চার পরিবেশ। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা লাইব্রেরিটির চারপাশে জমেছে ময়লা-আবর্জনা। ফলে সরকারি অর্থে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানটি কার্যত অচল হয়ে পড়ে আছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, লাইব্রেরির ভবনটি দাঁড়িয়ে থাকলেও ভেতরে পাঠকদের জন্য প্রয়োজনীয় বই নেই। নিয়মিত কোনো পাঠ কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে না। ভবনের আশপাশে দীর্ঘদিনের ময়লা-আবর্জনা জমে পরিবেশ হয়ে উঠেছে অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর।

স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি পাবলিক লাইব্রেরি শুধু একটি ভবন নয়; এটি শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রত্যাশী ও জ্ঞানপিপাসু মানুষের জ্ঞানচর্চার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে লাইব্রেরিটি বন্ধ থাকায় এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উপজেলার মানুষ।

বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিভিন্ন বিষয়ের বই, দৈনিক পত্রিকা, চাকরির প্রস্তুতিমূলক বই ও তথ্যসমৃদ্ধ সামগ্রী থাকলে তরুণদের পড়াশোনা ও প্রস্তুতির সুযোগ বাড়ত। কিন্তু বর্তমানে বই না থাকায় সেই সুযোগও নেই।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সরকারি অর্থ ও সম্পদ ব্যয়ে নির্মিত একটি লাইব্রেরি যদি ব্যবহারই না হয়, তাহলে তা জনসাধারণের কোনো কাজে আসছে না। তাই দ্রুত ভবনটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে প্রয়োজনীয় বই সংগ্রহ এবং নিয়মিত পাঠ কার্যক্রম চালু করা প্রয়োজন।

তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে গঙ্গাচড়া পাবলিক লাইব্রেরিটি চালু করলে শিক্ষার্থী ও তরুণদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস বাড়বে। একই সঙ্গে তৈরি হবে জ্ঞানচর্চার একটি কার্যকর পরিবেশ।

ভবন আছে, চেয়ার-টেবিলও আছে-শুধু নেই বই, পাঠক আর প্রাণচাঞ্চল্য। ময়লার স্তূপে পড়ে থাকা গঙ্গাচড়া পাবলিক লাইব্রেরি যেন এখন স্থানীয় মানুষের অপূর্ণ প্রত্যাশার প্রতিচ্ছবি।

#রংপুর_সংবাদ #গঙ্গাচড়া_পাবলিক_লাইব্রেরি #লাইব্রেরি_সংকট

চেকপোস্ট

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬


ভবন আছে, বই নেই: ময়লার স্তূপে গঙ্গাচড়া পাবলিক লাইব্রেরি

প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার পাবলিক লাইব্রেরির ভবন আছে, চেয়ার-টেবিলও আছে—শুধু নেই বই, পাঠক আর জ্ঞানচর্চার পরিবেশ। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা লাইব্রেরিটির চারপাশে জমেছে ময়লা-আবর্জনা। ফলে সরকারি অর্থে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানটি কার্যত অচল হয়ে পড়ে আছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, লাইব্রেরির ভবনটি দাঁড়িয়ে থাকলেও ভেতরে পাঠকদের জন্য প্রয়োজনীয় বই নেই। নিয়মিত কোনো পাঠ কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে না। ভবনের আশপাশে দীর্ঘদিনের ময়লা-আবর্জনা জমে পরিবেশ হয়ে উঠেছে অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর।

স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি পাবলিক লাইব্রেরি শুধু একটি ভবন নয়; এটি শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রত্যাশী ও জ্ঞানপিপাসু মানুষের জ্ঞানচর্চার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে লাইব্রেরিটি বন্ধ থাকায় এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উপজেলার মানুষ।

বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিভিন্ন বিষয়ের বই, দৈনিক পত্রিকা, চাকরির প্রস্তুতিমূলক বই ও তথ্যসমৃদ্ধ সামগ্রী থাকলে তরুণদের পড়াশোনা ও প্রস্তুতির সুযোগ বাড়ত। কিন্তু বর্তমানে বই না থাকায় সেই সুযোগও নেই।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সরকারি অর্থ ও সম্পদ ব্যয়ে নির্মিত একটি লাইব্রেরি যদি ব্যবহারই না হয়, তাহলে তা জনসাধারণের কোনো কাজে আসছে না। তাই দ্রুত ভবনটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে প্রয়োজনীয় বই সংগ্রহ এবং নিয়মিত পাঠ কার্যক্রম চালু করা প্রয়োজন।

তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে গঙ্গাচড়া পাবলিক লাইব্রেরিটি চালু করলে শিক্ষার্থী ও তরুণদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস বাড়বে। একই সঙ্গে তৈরি হবে জ্ঞানচর্চার একটি কার্যকর পরিবেশ।

ভবন আছে, চেয়ার-টেবিলও আছে-শুধু নেই বই, পাঠক আর প্রাণচাঞ্চল্য। ময়লার স্তূপে পড়ে থাকা গঙ্গাচড়া পাবলিক লাইব্রেরি যেন এখন স্থানীয় মানুষের অপূর্ণ প্রত্যাশার প্রতিচ্ছবি।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত