বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

শিক্ষা

সিভি জমা ও ক্যারিয়ার পরামর্শের সুযোগ

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ক্যারিয়ার ফেয়ারে ৮০ প্রতিষ্ঠান

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ক্যারিয়ার ফেয়ারে ৮০ প্রতিষ্ঠান
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হওয়া ন্যাশনাল ক্যারিয়ার ফেয়ারে স্টলে ভিড় করছেন শিক্ষার্থীরা। ছবি : সংগৃহীত

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে দুই দিনব্যাপী ‘ন্যাশনাল ক্যারিয়ার ফেয়ার ২০২৬’ শেষ হয়েছে। বিভিন্ন খাতের ৮০টি স্বনামধন্য চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নেয়। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল নেসলে, বিকাশ, ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক পিএলসি, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এবং বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস (বিএসআরএম)।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) শেষ হওয়া এ ক্যারিয়ার মেলায় শিক্ষার্থীরা চাকরির সুযোগ সম্পর্কে জানার পাশাপাশি নিয়োগদাতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, জীবনবৃত্তান্ত জমা, সাক্ষাৎকার দেওয়া এবং ক্যারিয়ারবিষয়ক পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ পান। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছাড়াও দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ২৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস অব ক্যারিয়ার সার্ভিসেস অ্যান্ড অ্যালামনাই রিলেশনস এ মেলার আয়োজন করে।

কর্মজীবনে সাফল্যের জন্য ধৈর্য ও সততার পরামর্শ

মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য মাসুদ খান। বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘কর্মজীবন একটি ম্যারাথন দৌড়ের মতো। এখানে কোনো শর্টকাট নেই। আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে।’

তিনি শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের উৎকর্ষ, সততা, দায়িত্ববোধ এবং নিয়মিত নতুন দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ভালোভাবে খোঁজখবর নেওয়া, প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদা বোঝা এবং সাক্ষাৎকারে নিজেদের বিশেষ যোগ্যতা তুলে ধরার পরামর্শ দেন।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অর্জিত জ্ঞানই মানুষের শেখার ভিত্তি। পাঠ্যবই ও গবেষণায় প্রকাশিত জ্ঞান বাস্তব জগতের অভিজ্ঞতা থেকে আসে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অনেক দক্ষতা নিয়ে আলোচনা করি, তবে আমার কাছে মানবিক দক্ষতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই দক্ষতা না থাকলে আমরা অন্যদের যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে পারব না এবং সহমর্মিতাও হারিয়ে যাবে।’

ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও ক্যারিয়ার গঠন নিয়ে আলোচনা

ক্যারিয়ার মেলার দ্বিতীয় দিনে ‘ফ্রম আর্লি ক্যারিয়ার টু ফিউচার লিডার: বিল্ডিং আ ক্যারিয়ার দ্যাট ক্রিয়েটস ইমপ্যাক্ট’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনায় বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের স্বতন্ত্র পরিচালক রুপালী হক চৌধুরী এক সন্ন্যাসীর গল্প তুলে ধরেন। প্রতিদিন ভোরে থালা-বাসন ধোয়ার একঘেয়ে কাজের মধ্যেও ওই সন্ন্যাসী নিজের কাজের উদ্দেশ্য খুঁজে পেয়েছিলেন। তাঁর উপলব্ধি ছিল, এই কাজ অন্যদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করছে।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম বলেন, কর্মজীবনে নানা চ্যালেঞ্জ আসবে। কখনো হতাশ হতে হবে, কখনো প্রত্যাখ্যানের মুখোমুখি হতে হবে। তবে এসব অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। কঠিন সময় মানুষকে আরও শক্তিশালী করে তোলে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, কর্মজীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো নিজের কাজ পরিচালনা থেকে একটি দল পরিচালনা এবং পরে অন্যদের পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়া।

প্যানেল আলোচনা সঞ্চালনা করেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক শাহরিয়ার সাঈদ। তিনি বলেন, নতুন দক্ষতা শেখার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের নতুন পদ্ধতিও জানতে হবে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতেও কর্মক্ষেত্রে নিজেদের প্রাসঙ্গিক রাখা সম্ভব হতে পারে। তবে আগামী দুই, তিন কিংবা পাঁচ বছরে পরিস্থিতি কেমন হবে, তা অনুমান করা কঠিন।

সুশাসন ও কর্মপরিবেশ বিবেচনার আহ্বান

মেলার দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত ‘মিট দ্য সিইও’ সেশনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন সিটি ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন।

তিনি বলেন, কোনো ব্যাংকে যোগ দেওয়ার আগে প্রতিষ্ঠানটির সুশাসন ও সার্বিক কর্মপরিবেশ বিবেচনা করা জরুরি। অর্থনীতির পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, জিডিপি প্রবৃদ্ধির গতি কমছে এবং মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে নিজেদের পাশাপাশি বাবা-মায়ের প্রতিও আরও দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা

ক্যারিয়ার মেলার বিভিন্ন সেশনে বক্তব্য দেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড, সিটি ব্যাংক পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর, চিফ ইকোনমিস্ট ও কান্ট্রি বিজনেস ম্যানেজার মো. আশানুর রহমান এবং আইপিডিসি ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিজওয়ান দাউদ সামস।

এ ছাড়া ব্র্যাক আইটি সার্ভিসেস লিমিটেডের চিফ পিপল অ্যান্ড কালচার অফিসার শারমিন সুলতান ও চিফ সলিউশনস আর্কিটেক্ট শাহ আলী নেওয়াজ তপু, আইএইচএইচ হেলথকেয়ারের এইচআর অ্যান্ড অপারেশন্স ডিরেক্টর তৌফিকা ইরফান এবং প্রিমিয়াম সুইটসের মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান শাহরিয়ার রহমান বিভিন্ন সেশনে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

ক্যারিয়ার ফেয়ারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা চাকরির বাজারের চাহিদা, নিয়োগদাতাদের প্রত্যাশা এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়ে জানার সুযোগ পান। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

#চাকরিরখবর #ব্র্যাকইউনিভার্সিটি #ক্যারিয়ারফেয়ার২০২৬

চেকপোস্ট

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ক্যারিয়ার ফেয়ারে ৮০ প্রতিষ্ঠান

প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে দুই দিনব্যাপী ‘ন্যাশনাল ক্যারিয়ার ফেয়ার ২০২৬’ শেষ হয়েছে। বিভিন্ন খাতের ৮০টি স্বনামধন্য চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নেয়। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল নেসলে, বিকাশ, ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক পিএলসি, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এবং বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস (বিএসআরএম)।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) শেষ হওয়া এ ক্যারিয়ার মেলায় শিক্ষার্থীরা চাকরির সুযোগ সম্পর্কে জানার পাশাপাশি নিয়োগদাতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, জীবনবৃত্তান্ত জমা, সাক্ষাৎকার দেওয়া এবং ক্যারিয়ারবিষয়ক পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ পান। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছাড়াও দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ২৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস অব ক্যারিয়ার সার্ভিসেস অ্যান্ড অ্যালামনাই রিলেশনস এ মেলার আয়োজন করে।

কর্মজীবনে সাফল্যের জন্য ধৈর্য ও সততার পরামর্শ

মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য মাসুদ খান। বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘কর্মজীবন একটি ম্যারাথন দৌড়ের মতো। এখানে কোনো শর্টকাট নেই। আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে।’

তিনি শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের উৎকর্ষ, সততা, দায়িত্ববোধ এবং নিয়মিত নতুন দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ভালোভাবে খোঁজখবর নেওয়া, প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদা বোঝা এবং সাক্ষাৎকারে নিজেদের বিশেষ যোগ্যতা তুলে ধরার পরামর্শ দেন।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অর্জিত জ্ঞানই মানুষের শেখার ভিত্তি। পাঠ্যবই ও গবেষণায় প্রকাশিত জ্ঞান বাস্তব জগতের অভিজ্ঞতা থেকে আসে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অনেক দক্ষতা নিয়ে আলোচনা করি, তবে আমার কাছে মানবিক দক্ষতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই দক্ষতা না থাকলে আমরা অন্যদের যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে পারব না এবং সহমর্মিতাও হারিয়ে যাবে।’

ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও ক্যারিয়ার গঠন নিয়ে আলোচনা

ক্যারিয়ার মেলার দ্বিতীয় দিনে ‘ফ্রম আর্লি ক্যারিয়ার টু ফিউচার লিডার: বিল্ডিং আ ক্যারিয়ার দ্যাট ক্রিয়েটস ইমপ্যাক্ট’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনায় বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের স্বতন্ত্র পরিচালক রুপালী হক চৌধুরী এক সন্ন্যাসীর গল্প তুলে ধরেন। প্রতিদিন ভোরে থালা-বাসন ধোয়ার একঘেয়ে কাজের মধ্যেও ওই সন্ন্যাসী নিজের কাজের উদ্দেশ্য খুঁজে পেয়েছিলেন। তাঁর উপলব্ধি ছিল, এই কাজ অন্যদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করছে।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম বলেন, কর্মজীবনে নানা চ্যালেঞ্জ আসবে। কখনো হতাশ হতে হবে, কখনো প্রত্যাখ্যানের মুখোমুখি হতে হবে। তবে এসব অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। কঠিন সময় মানুষকে আরও শক্তিশালী করে তোলে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, কর্মজীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো নিজের কাজ পরিচালনা থেকে একটি দল পরিচালনা এবং পরে অন্যদের পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়া।

প্যানেল আলোচনা সঞ্চালনা করেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক শাহরিয়ার সাঈদ। তিনি বলেন, নতুন দক্ষতা শেখার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের নতুন পদ্ধতিও জানতে হবে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতেও কর্মক্ষেত্রে নিজেদের প্রাসঙ্গিক রাখা সম্ভব হতে পারে। তবে আগামী দুই, তিন কিংবা পাঁচ বছরে পরিস্থিতি কেমন হবে, তা অনুমান করা কঠিন।

সুশাসন ও কর্মপরিবেশ বিবেচনার আহ্বান

মেলার দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত ‘মিট দ্য সিইও’ সেশনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন সিটি ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন।

তিনি বলেন, কোনো ব্যাংকে যোগ দেওয়ার আগে প্রতিষ্ঠানটির সুশাসন ও সার্বিক কর্মপরিবেশ বিবেচনা করা জরুরি। অর্থনীতির পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, জিডিপি প্রবৃদ্ধির গতি কমছে এবং মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে নিজেদের পাশাপাশি বাবা-মায়ের প্রতিও আরও দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা

ক্যারিয়ার মেলার বিভিন্ন সেশনে বক্তব্য দেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড, সিটি ব্যাংক পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর, চিফ ইকোনমিস্ট ও কান্ট্রি বিজনেস ম্যানেজার মো. আশানুর রহমান এবং আইপিডিসি ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিজওয়ান দাউদ সামস।

এ ছাড়া ব্র্যাক আইটি সার্ভিসেস লিমিটেডের চিফ পিপল অ্যান্ড কালচার অফিসার শারমিন সুলতান ও চিফ সলিউশনস আর্কিটেক্ট শাহ আলী নেওয়াজ তপু, আইএইচএইচ হেলথকেয়ারের এইচআর অ্যান্ড অপারেশন্স ডিরেক্টর তৌফিকা ইরফান এবং প্রিমিয়াম সুইটসের মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান শাহরিয়ার রহমান বিভিন্ন সেশনে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

ক্যারিয়ার ফেয়ারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা চাকরির বাজারের চাহিদা, নিয়োগদাতাদের প্রত্যাশা এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়ে জানার সুযোগ পান। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত