২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশ নিচ্ছে না। এই প্রেক্ষাপটে ঢাকায় নরওয়ের রয়্যাল দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশিদের নরওয়েকে সমর্থনের আহ্বান জানিয়ে আলোচনায় এসেছে।
দূতাবাসের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ ও নরওয়ের মধ্যে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক মিল রয়েছে। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর নরওয়ে ছিল প্রথম স্বীকৃতিদাতা দেশগুলোর একটি। এছাড়া শান্তি, উন্নয়ন ও জলবায়ু ইস্যুতে দুই দেশের অবস্থান কাছাকাছি বলেও উল্লেখ করা হয়।
পোস্টে আরও বলা হয়, নদী-সমুদ্র ও উপকূলভিত্তিক জীবনধারা, মাছের প্রতি ভালোবাসা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মূল্যবোধ এই মিলগুলো দুই দেশকে আরও কাছাকাছি এনে দিয়েছে। পাশাপাশি নরওয়ের তুলনামূলক ছোট জনসংখ্যা ও বাংলাদেশের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য নিয়েও হাস্যরস করা হয়।
দূতাবাস জানায়, ১৯৯৮ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে ফিরতে যাচ্ছে নরওয়ে। আর্লিং ব্রট হলান্ড ও মার্টিন ওডেগার্ডদের নিয়ে গড়া দলটি এবার বড় স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামবে। সেই যাত্রায় বাংলাদেশিদের সমর্থন কামনা করেছে তারা।
পোস্টে বলা হয়, “বাংলাদেশ, এবার আন্ডারডগদের পাশে দাঁড়ানোর সময়।”
বিশ্বকাপে সাধারণত বাংলাদেশি দর্শকদের মধ্যে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সমর্থন বেশি দেখা গেলেও নরওয়ের এই কূটনৈতিক প্রচারণা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশ নিচ্ছে না। এই প্রেক্ষাপটে ঢাকায় নরওয়ের রয়্যাল দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশিদের নরওয়েকে সমর্থনের আহ্বান জানিয়ে আলোচনায় এসেছে।
দূতাবাসের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ ও নরওয়ের মধ্যে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক মিল রয়েছে। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর নরওয়ে ছিল প্রথম স্বীকৃতিদাতা দেশগুলোর একটি। এছাড়া শান্তি, উন্নয়ন ও জলবায়ু ইস্যুতে দুই দেশের অবস্থান কাছাকাছি বলেও উল্লেখ করা হয়।
পোস্টে আরও বলা হয়, নদী-সমুদ্র ও উপকূলভিত্তিক জীবনধারা, মাছের প্রতি ভালোবাসা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মূল্যবোধ এই মিলগুলো দুই দেশকে আরও কাছাকাছি এনে দিয়েছে। পাশাপাশি নরওয়ের তুলনামূলক ছোট জনসংখ্যা ও বাংলাদেশের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য নিয়েও হাস্যরস করা হয়।
দূতাবাস জানায়, ১৯৯৮ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে ফিরতে যাচ্ছে নরওয়ে। আর্লিং ব্রট হলান্ড ও মার্টিন ওডেগার্ডদের নিয়ে গড়া দলটি এবার বড় স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামবে। সেই যাত্রায় বাংলাদেশিদের সমর্থন কামনা করেছে তারা।
পোস্টে বলা হয়, “বাংলাদেশ, এবার আন্ডারডগদের পাশে দাঁড়ানোর সময়।”
বিশ্বকাপে সাধারণত বাংলাদেশি দর্শকদের মধ্যে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সমর্থন বেশি দেখা গেলেও নরওয়ের এই কূটনৈতিক প্রচারণা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
