কক্সবাজারের রামুতে ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ সজিব বেপারী নামে এক পুলিশ কনস্টেবলকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি। আটক সজিব বেপারী বর্তমানে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে এপিবিএন কর্মরত। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়।
শুক্রবার ১ মে সন্ধ্যা ৭টার দিকে রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে এ অভিযান চালানো হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, ৩০ বিজিবির সদস্যরা কক্সবাজারগামী একটি সিএনজি অটোরিকশা থামিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় যাত্রী সজিব বেপারীর ব্যাগ সন্দেহজনক মনে হলে তা তল্লাশি করা হয়। পরে ব্যাগ থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
রামুস্থ ৩০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ জানান, আটক কনস্টেবলকে বিজিবি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের কমান্ডিং অফিসার রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, অভিযুক্ত কনস্টেবল ছুটি নিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেছিলেন। তিনি কীভাবে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত হলেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অপরাধ প্রমাণিত হলে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। বিজিবির এজাহার পাওয়ার পর নিয়মিত মামলা রেকর্ড করে আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
কক্সবাজারের রামুতে ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ সজিব বেপারী নামে এক পুলিশ কনস্টেবলকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি। আটক সজিব বেপারী বর্তমানে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে এপিবিএন কর্মরত। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়।
শুক্রবার ১ মে সন্ধ্যা ৭টার দিকে রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে এ অভিযান চালানো হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, ৩০ বিজিবির সদস্যরা কক্সবাজারগামী একটি সিএনজি অটোরিকশা থামিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় যাত্রী সজিব বেপারীর ব্যাগ সন্দেহজনক মনে হলে তা তল্লাশি করা হয়। পরে ব্যাগ থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
রামুস্থ ৩০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ জানান, আটক কনস্টেবলকে বিজিবি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের কমান্ডিং অফিসার রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, অভিযুক্ত কনস্টেবল ছুটি নিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেছিলেন। তিনি কীভাবে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত হলেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অপরাধ প্রমাণিত হলে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। বিজিবির এজাহার পাওয়ার পর নিয়মিত মামলা রেকর্ড করে আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
