রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য ও অর্থ পাচারের অভিযোগে দুদকে লিখিত অভিযোগ

বিআরটিএর ডিডি সুব্রত দেবনাথের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ

বিআরটিএর ডিডি সুব্রত দেবনাথের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআরটিএর ঢাকা মেট্রো সার্কেল-৩ (দিয়াবাড়ী, উত্তরা)-এর উপপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) প্রকৌশলী সুব্রত দেবনাথের বিরুদ্ধে চাকরিজীবনের বিভিন্ন সময়ে শত কোটি টাকার অনিয়ম, ঘুষ বাণিজ্য ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর ‘ঢাকা মহানগর অটোরিকশা চালক শ্রমিক ইউনিয়ন’ (রেজিঃ নং ঢাক-২২৪০)-এর সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন স্বাক্ষরিত অভিযোগপত্রটি দুদকের চেয়ারম্যান, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করা হয়। অভিযোগপত্রে সুব্রত দেবনাথের বিভিন্ন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনকালে অনিয়ম ও দুর্নীতির বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

অভিযোগপত্রের দাবি অনুযায়ী, ২০১১ সালে বিআরটিএতে সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে যোগদানের পর বিভিন্ন সার্কেল ও সদর দপ্তরে দায়িত্ব পালনকালে সিএনজি অটোরিকশার প্রতিস্থাপন, নতুন নিবন্ধন, ফিটনেস সনদ, মালিকানা পরিবর্তন এবং অভ্যন্তরীণ পদোন্নতিকে কেন্দ্র করে একটি প্রভাবশালী চক্র গড়ে ওঠে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে চট্টগ্রাম মেট্রো বিআরটিএতে সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে প্রায় চার মাসে ২০০৩ ও ২০০৪ মডেলের প্রায় ২ হাজার ৫০০ সিএনজি অটোরিকশা স্ক্র্যাপ ও প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করা হয়। প্রতিটি গাড়ির বিপরীতে ৩ লাখ টাকা হিসেবে প্রায় ৭৫ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে ঢাকা মেট্রো সার্কেল-২-এ দায়িত্ব পালনকালে প্রায় ২ হাজার সিএনজি অটোরিকশার প্রতিস্থাপন নিবন্ধনে গাড়িপ্রতি ৫০ হাজার টাকা হিসেবে প্রায় ১০ কোটি টাকা এবং ঢাকা জেলা সার্কেলের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ৫০০টি সিএনজির নিবন্ধনে আরও প্রায় ৫ কোটি টাকা অনিয়মের মাধ্যমে আদায়ের অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়, ২০২২ সালে উপপরিচালক পদে পদোন্নতির পর বিআরটিএ সদর দপ্তরে উপপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং)-৩ হিসেবে আন্তঃজেলা রুট পারমিটের দায়িত্বে থাকাকালে প্রায় ৪০০টি স্লিপার বাসের রুট পারমিট নিয়মবহির্ভূতভাবে দেওয়ার মাধ্যমে গাড়িপ্রতি ৫ লাখ টাকা হিসেবে প্রায় ২০ কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাকে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ে বদলি করা হলেও চলতি বছরের জুনে তিনি পুনরায় ঢাকা মেট্রো সার্কেল-৩-এ উপপরিচালক হিসেবে যোগ দেন। অভিযোগকারীদের দাবি, বর্তমান কর্মস্থলেও তার বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

তবে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ করা হয়েছে অর্থ পাচারের বিষয়ে। অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত বিপুল অর্থ অবৈধভাবে ভারতে পাচার করা হয়েছে। সেখানে তার নামে ও বেনামে বাড়ি, গাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকার কথাও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজধানীর পশ্চিম রামপুরা এলাকায় তার নামে একাধিক প্লট ও ফ্ল্যাট থাকার দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগকারী সংগঠন বলছে, বিআরটিএর বিভিন্ন সার্কেলে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে একটি সুসংগঠিত দুর্নীতির নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে সুব্রত দেবনাথের বিরুদ্ধে। এতে সাধারণ পরিবহন মালিক ও চালকদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ আদায়ের অভিযোগ দীর্ঘদিনের ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেও দাবি সংগঠনটির।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত প্রকৌশলী সুব্রত দেবনাথের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। দুদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও অভিযোগগুলোর বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট তদন্ত-ফল বা আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে দুদকের জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, কমিশন পুনর্গঠনের পর দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম আবার জোরদার হয়েছে। বিআরটিএ নিয়ে বিপুলসংখ্যক অভিযোগ রয়েছে এবং চেয়ারম্যানের অনুমোদনক্রমে সেখানে অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়ায় বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-২ সার্কেলে ঘুষ ও দালালচক্রের অভিযোগে দুদক অভিযান পরিচালনা করেছে।

অভিযোগকারী সংগঠনের দাবি, সুব্রত দেবনাথের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তার দীর্ঘ চাকরিজীবনের ফাইল, নিবন্ধন ও রুট পারমিটের নথি, আর্থিক লেনদেন এবং সম্পদের হিসাব পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দেশে ও বিদেশে তার নামে-বেনামে থাকা সম্পদের তথ্য যাচাই করে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ এখনো তদন্তে প্রমাণিত হয়নি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে দুদকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তই হবে মূল বিষয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং অভিযোগ অসত্য হলে সংশ্লিষ্টদের অবস্থানও স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে।

চেকপোস্ট

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বিআরটিএর ডিডি সুব্রত দেবনাথের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআরটিএর ঢাকা মেট্রো সার্কেল-৩ (দিয়াবাড়ী, উত্তরা)-এর উপপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) প্রকৌশলী সুব্রত দেবনাথের বিরুদ্ধে চাকরিজীবনের বিভিন্ন সময়ে শত কোটি টাকার অনিয়ম, ঘুষ বাণিজ্য ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর ‘ঢাকা মহানগর অটোরিকশা চালক শ্রমিক ইউনিয়ন’ (রেজিঃ নং ঢাক-২২৪০)-এর সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন স্বাক্ষরিত অভিযোগপত্রটি দুদকের চেয়ারম্যান, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করা হয়। অভিযোগপত্রে সুব্রত দেবনাথের বিভিন্ন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনকালে অনিয়ম ও দুর্নীতির বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

অভিযোগপত্রের দাবি অনুযায়ী, ২০১১ সালে বিআরটিএতে সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে যোগদানের পর বিভিন্ন সার্কেল ও সদর দপ্তরে দায়িত্ব পালনকালে সিএনজি অটোরিকশার প্রতিস্থাপন, নতুন নিবন্ধন, ফিটনেস সনদ, মালিকানা পরিবর্তন এবং অভ্যন্তরীণ পদোন্নতিকে কেন্দ্র করে একটি প্রভাবশালী চক্র গড়ে ওঠে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে চট্টগ্রাম মেট্রো বিআরটিএতে সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে প্রায় চার মাসে ২০০৩ ও ২০০৪ মডেলের প্রায় ২ হাজার ৫০০ সিএনজি অটোরিকশা স্ক্র্যাপ ও প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করা হয়। প্রতিটি গাড়ির বিপরীতে ৩ লাখ টাকা হিসেবে প্রায় ৭৫ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে ঢাকা মেট্রো সার্কেল-২-এ দায়িত্ব পালনকালে প্রায় ২ হাজার সিএনজি অটোরিকশার প্রতিস্থাপন নিবন্ধনে গাড়িপ্রতি ৫০ হাজার টাকা হিসেবে প্রায় ১০ কোটি টাকা এবং ঢাকা জেলা সার্কেলের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ৫০০টি সিএনজির নিবন্ধনে আরও প্রায় ৫ কোটি টাকা অনিয়মের মাধ্যমে আদায়ের অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়, ২০২২ সালে উপপরিচালক পদে পদোন্নতির পর বিআরটিএ সদর দপ্তরে উপপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং)-৩ হিসেবে আন্তঃজেলা রুট পারমিটের দায়িত্বে থাকাকালে প্রায় ৪০০টি স্লিপার বাসের রুট পারমিট নিয়মবহির্ভূতভাবে দেওয়ার মাধ্যমে গাড়িপ্রতি ৫ লাখ টাকা হিসেবে প্রায় ২০ কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাকে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ে বদলি করা হলেও চলতি বছরের জুনে তিনি পুনরায় ঢাকা মেট্রো সার্কেল-৩-এ উপপরিচালক হিসেবে যোগ দেন। অভিযোগকারীদের দাবি, বর্তমান কর্মস্থলেও তার বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

তবে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ করা হয়েছে অর্থ পাচারের বিষয়ে। অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত বিপুল অর্থ অবৈধভাবে ভারতে পাচার করা হয়েছে। সেখানে তার নামে ও বেনামে বাড়ি, গাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকার কথাও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজধানীর পশ্চিম রামপুরা এলাকায় তার নামে একাধিক প্লট ও ফ্ল্যাট থাকার দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগকারী সংগঠন বলছে, বিআরটিএর বিভিন্ন সার্কেলে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে একটি সুসংগঠিত দুর্নীতির নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে সুব্রত দেবনাথের বিরুদ্ধে। এতে সাধারণ পরিবহন মালিক ও চালকদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ আদায়ের অভিযোগ দীর্ঘদিনের ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেও দাবি সংগঠনটির।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত প্রকৌশলী সুব্রত দেবনাথের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। দুদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও অভিযোগগুলোর বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট তদন্ত-ফল বা আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে দুদকের জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, কমিশন পুনর্গঠনের পর দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম আবার জোরদার হয়েছে। বিআরটিএ নিয়ে বিপুলসংখ্যক অভিযোগ রয়েছে এবং চেয়ারম্যানের অনুমোদনক্রমে সেখানে অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়ায় বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-২ সার্কেলে ঘুষ ও দালালচক্রের অভিযোগে দুদক অভিযান পরিচালনা করেছে।

অভিযোগকারী সংগঠনের দাবি, সুব্রত দেবনাথের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তার দীর্ঘ চাকরিজীবনের ফাইল, নিবন্ধন ও রুট পারমিটের নথি, আর্থিক লেনদেন এবং সম্পদের হিসাব পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দেশে ও বিদেশে তার নামে-বেনামে থাকা সম্পদের তথ্য যাচাই করে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ এখনো তদন্তে প্রমাণিত হয়নি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে দুদকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তই হবে মূল বিষয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং অভিযোগ অসত্য হলে সংশ্লিষ্টদের অবস্থানও স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত