রাজধানীর মিরপুরে বাড়ি দখল, মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলাটিতে প্রথমবারের মতো স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নকে (এসআরবি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে মো. মিজানুর রহমান ওরফে বাচ্চু মামলার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।
মামলার আসামিরা হলেন— হেমায়েত উদ্দিন সুমন, মো. নাজমুল হোসেন ও মুন্নী আক্তার মিষ্টি।
আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, এসআরবিকে মাদক, সাইবার অপরাধ, ভূমি ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। মামলাটি ভূমিসংক্রান্ত হওয়ায় এসআরবি আইনের ১৫(২) ধারার অধীনে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালত এসআরবির মহাপরিচালককে পুলিশের উপপরিদর্শক পদমর্যাদার নিচে নন—এমন কোনো সদস্য দিয়ে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, মিরপুর হাউজিং এস্টেটের জমিতে নির্মিত একটি বহুতল ভবনের মালিক ইউনুস আলী ও রুমা আক্তার বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন। তাদের চাচা মিজানুর রহমান দেশে থাকা তাদের স্থাবর সম্পত্তি দেখাশোনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছেন।
বাদীর অভিযোগ, আসামিরা মালিকদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ওই সম্পত্তি দখল ও আত্মসাতের চেষ্টা করে আসছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই হেমায়েত উদ্দিন সুমনের নেতৃত্বে আসামিরা জোর করে বাড়িতে প্রবেশ করে দখলের চেষ্টা করেন। এতে বাধা দিলে তারা প্রাণনাশের হুমকি দেন। একপর্যায়ে হেমায়েত উদ্দিন বাদীর কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর করেন এবং দুই লাখ টাকা নিয়ে যান বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পরই নিশ্চিত হবে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী এখন এসআরবির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অপেক্ষায় রয়েছে।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজধানীর মিরপুরে বাড়ি দখল, মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলাটিতে প্রথমবারের মতো স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নকে (এসআরবি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে মো. মিজানুর রহমান ওরফে বাচ্চু মামলার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।
মামলার আসামিরা হলেন— হেমায়েত উদ্দিন সুমন, মো. নাজমুল হোসেন ও মুন্নী আক্তার মিষ্টি।
আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, এসআরবিকে মাদক, সাইবার অপরাধ, ভূমি ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। মামলাটি ভূমিসংক্রান্ত হওয়ায় এসআরবি আইনের ১৫(২) ধারার অধীনে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালত এসআরবির মহাপরিচালককে পুলিশের উপপরিদর্শক পদমর্যাদার নিচে নন—এমন কোনো সদস্য দিয়ে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, মিরপুর হাউজিং এস্টেটের জমিতে নির্মিত একটি বহুতল ভবনের মালিক ইউনুস আলী ও রুমা আক্তার বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন। তাদের চাচা মিজানুর রহমান দেশে থাকা তাদের স্থাবর সম্পত্তি দেখাশোনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছেন।
বাদীর অভিযোগ, আসামিরা মালিকদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ওই সম্পত্তি দখল ও আত্মসাতের চেষ্টা করে আসছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই হেমায়েত উদ্দিন সুমনের নেতৃত্বে আসামিরা জোর করে বাড়িতে প্রবেশ করে দখলের চেষ্টা করেন। এতে বাধা দিলে তারা প্রাণনাশের হুমকি দেন। একপর্যায়ে হেমায়েত উদ্দিন বাদীর কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর করেন এবং দুই লাখ টাকা নিয়ে যান বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পরই নিশ্চিত হবে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী এখন এসআরবির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অপেক্ষায় রয়েছে।
