ডেঙ্গু প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার পাকেরহাট শাপলা চত্বরে র্যালি, আলোচনা সভা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি পাকেরহাট শাপলা চত্বরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান সরকার। তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেবল প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; এ ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি নিজ নিজ বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি জমে থাকা পানি অপসারণ করে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। তাই প্রতিটি পরিবারকে এখন থেকেই সচেতন হতে হবে এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এ সময় তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আলোচনা সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা পাকেরহাট শাপলা চত্বর ও আশপাশের এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় রাস্তার পাশে জমে থাকা আবর্জনা অপসারণ ও সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে ডেঙ্গুর প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
ডেঙ্গু প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার পাকেরহাট শাপলা চত্বরে র্যালি, আলোচনা সভা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি পাকেরহাট শাপলা চত্বরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান সরকার। তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেবল প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; এ ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি নিজ নিজ বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি জমে থাকা পানি অপসারণ করে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। তাই প্রতিটি পরিবারকে এখন থেকেই সচেতন হতে হবে এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এ সময় তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আলোচনা সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা পাকেরহাট শাপলা চত্বর ও আশপাশের এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় রাস্তার পাশে জমে থাকা আবর্জনা অপসারণ ও সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে ডেঙ্গুর প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব।
