ঝালকাঠির নলছিটি-তালতলা সড়কের মোড়ে অটো ইজিবাইক ও অটোভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে হুমায়ুন নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষের পর গুরুতর আহত হুমায়ুনকে দ্রুত উদ্ধার করে নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তিনি শিমুলতলা গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় পথচারী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, নলছিটি-তালতলা মোড়ের সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। সড়কের পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহনের চালকরা প্রায়ই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছেন। এর ফলে এ মোড়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।
এলাকাবাসীর মতে, সড়কটি দ্রুত সংস্কার না করায় জনদুর্ভোগের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে। তারা ঝুঁকিপূর্ণ মোড়টিতে দ্রুত স্পিড ব্রেকার (গতি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা), সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
পথচারীরা জানান, মোড় অতিক্রমের সময় ইজিবাইক, অটোভ্যানসহ সব ধরনের যানবাহনের গতি ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে রাখা হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
এদিকে স্থানীয়রা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও এলাকার জনপ্রতিনিধিদের প্রতি দ্রুত সড়কটি মেরামত ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
ঝালকাঠির নলছিটি-তালতলা সড়কের মোড়ে অটো ইজিবাইক ও অটোভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে হুমায়ুন নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষের পর গুরুতর আহত হুমায়ুনকে দ্রুত উদ্ধার করে নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তিনি শিমুলতলা গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় পথচারী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, নলছিটি-তালতলা মোড়ের সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। সড়কের পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহনের চালকরা প্রায়ই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছেন। এর ফলে এ মোড়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।
এলাকাবাসীর মতে, সড়কটি দ্রুত সংস্কার না করায় জনদুর্ভোগের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে। তারা ঝুঁকিপূর্ণ মোড়টিতে দ্রুত স্পিড ব্রেকার (গতি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা), সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
পথচারীরা জানান, মোড় অতিক্রমের সময় ইজিবাইক, অটোভ্যানসহ সব ধরনের যানবাহনের গতি ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে রাখা হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
এদিকে স্থানীয়রা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও এলাকার জনপ্রতিনিধিদের প্রতি দ্রুত সড়কটি মেরামত ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
