শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

এলাকাবাসীর তীব্র প্রতিক্রিয়া

ত্রিশালে এলজিইডি সড়কে ‘পুকুর চুরি’ অভিযোগ: নিম্নমানের কাজে ক্ষোভ

ত্রিশালে এলজিইডি সড়কে ‘পুকুর চুরি’ অভিযোগ: নিম্নমানের কাজে ক্ষোভ
ছবি: চেকপোস্ট

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে চলমান সড়ক নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

পোড়াবাড়ি সড়ক থেকে অলহরী ব্রিজ হয়ে আমলীতলা বাজার পর্যন্ত প্রায় ৬০০ মিটার সড়ক নির্মাণ প্রকল্পে তৃতীয় শ্রেণির ইটের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার করে কাজ চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের দাবি, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতেই এসব অনিয়ম চলছে।

স্থানীয়রা জানান, সাব-বেজ ও বেজ স্তরে নির্ধারিত মান অনুসরণ করা হচ্ছে না। অভিযোগ উঠলে সাময়িকভাবে কিছু মালামাল সরিয়ে আবারও একইভাবে কাজ চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, এটি উন্নয়ন নয়, বরং “উন্নয়নের নামে লুটপাট” চলছে। তাদের মতে, এই মানের কাজে নির্মিত সড়ক অল্প সময়েই নষ্ট হয়ে যাবে।

প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৮ লাখ ৮ হাজার ৩৩৯ টাকা। কাজটি বাস্তবায়ন করছে মেসার্স সরকার এন্টারপ্রাইজ। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত।

এ বিষয়ে ঠিকাদার আবুল হোসেন দাবি করেন, নিম্নমানের সামগ্রী সরিয়ে ফেলা হয়েছে। উপ-সহকারী প্রকৌশলী শামসুল হুদা জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশলী যুবায়েত হোসেন বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ঠিকাদারকে লিখিতভাবে সতর্ক করা হয়েছে এবং নিম্নমানের সামগ্রী অপসারণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, নিয়ম ভঙ্গ করে কাজ করলে বিল ছাড় দেওয়া হবে না।

#ত্রিশাল #এলজিইডি #সড়ক_অনিয়ম

চেকপোস্ট

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬


ত্রিশালে এলজিইডি সড়কে ‘পুকুর চুরি’ অভিযোগ: নিম্নমানের কাজে ক্ষোভ

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬

featured Image

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে চলমান সড়ক নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

পোড়াবাড়ি সড়ক থেকে অলহরী ব্রিজ হয়ে আমলীতলা বাজার পর্যন্ত প্রায় ৬০০ মিটার সড়ক নির্মাণ প্রকল্পে তৃতীয় শ্রেণির ইটের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার করে কাজ চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের দাবি, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতেই এসব অনিয়ম চলছে।

স্থানীয়রা জানান, সাব-বেজ ও বেজ স্তরে নির্ধারিত মান অনুসরণ করা হচ্ছে না। অভিযোগ উঠলে সাময়িকভাবে কিছু মালামাল সরিয়ে আবারও একইভাবে কাজ চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, এটি উন্নয়ন নয়, বরং “উন্নয়নের নামে লুটপাট” চলছে। তাদের মতে, এই মানের কাজে নির্মিত সড়ক অল্প সময়েই নষ্ট হয়ে যাবে।

প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৮ লাখ ৮ হাজার ৩৩৯ টাকা। কাজটি বাস্তবায়ন করছে মেসার্স সরকার এন্টারপ্রাইজ। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত।

এ বিষয়ে ঠিকাদার আবুল হোসেন দাবি করেন, নিম্নমানের সামগ্রী সরিয়ে ফেলা হয়েছে। উপ-সহকারী প্রকৌশলী শামসুল হুদা জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশলী যুবায়েত হোসেন বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ঠিকাদারকে লিখিতভাবে সতর্ক করা হয়েছে এবং নিম্নমানের সামগ্রী অপসারণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, নিয়ম ভঙ্গ করে কাজ করলে বিল ছাড় দেওয়া হবে না।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত