রোববার, ১০ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

পাশাপাশি সাহিত হবে পাঁচটি নিথর দেহ

জানাজা শেষে গোপালগঞ্জে একই পরিবারের ৫ জনকে দাফন

জানাজা শেষে গোপালগঞ্জে একই পরিবারের ৫ জনকে দাফন
ছবি: চেকপোস্ট

গাজীপুর জেলার কাপাসিয়ায় চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডে নিহত এক নারী, তার তিন সন্তান ও ভাইয়ের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। নিহতদের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি উত্তর চরপাড়া গ্রামে শোকের মাতম নেমে এসেছে।

শনিবার গাজীপুর থেকে ময়নাতদন্ত শেষে ভোররাতে মরদেহগুলো গোপালগঞ্জে পৌঁছায়। রবিবার বেলা ১১টার দিকে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।

নিহতরা হলেন-শারমিন আক্তার (৩৫), তার তিন সন্তান মিম আক্তার (১৫), মারিয়া (১২) ও ফারিয়া (১) এবং শারমিনের ভাই রসুল হোসেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তারা গাজীপুরে বসবাস করছিলেন। ঘটনার পর থেকেই শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়া পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ ও স্বজনদের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, শুক্রবার বিকেলে ফোরকান মিয়া চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে শ্যালক রসুল হোসেনকে বাসায় ডেকে নেন এবং রাতের কোনো এক সময় নৃশংস এ ঘটনা ঘটে।

বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এ ঘটনায় নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

#গোপালগঞ্জ_সংবাদ #গাজীপুর_হত্যাকাণ্ড #এক_পরিবার_খুন

চেকপোস্ট

রোববার, ১০ মে ২০২৬


জানাজা শেষে গোপালগঞ্জে একই পরিবারের ৫ জনকে দাফন

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image

গাজীপুর জেলার কাপাসিয়ায় চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডে নিহত এক নারী, তার তিন সন্তান ও ভাইয়ের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। নিহতদের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি উত্তর চরপাড়া গ্রামে শোকের মাতম নেমে এসেছে।

শনিবার গাজীপুর থেকে ময়নাতদন্ত শেষে ভোররাতে মরদেহগুলো গোপালগঞ্জে পৌঁছায়। রবিবার বেলা ১১টার দিকে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।

নিহতরা হলেন-শারমিন আক্তার (৩৫), তার তিন সন্তান মিম আক্তার (১৫), মারিয়া (১২) ও ফারিয়া (১) এবং শারমিনের ভাই রসুল হোসেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তারা গাজীপুরে বসবাস করছিলেন। ঘটনার পর থেকেই শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়া পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ ও স্বজনদের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, শুক্রবার বিকেলে ফোরকান মিয়া চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে শ্যালক রসুল হোসেনকে বাসায় ডেকে নেন এবং রাতের কোনো এক সময় নৃশংস এ ঘটনা ঘটে।

বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এ ঘটনায় নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত