বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ এ বাজেট অধিবেশনে কর ফাঁকি রোধ এবং কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধির লক্ষ্যে একগুচ্ছ পরিকল্পনা তুলে ধরেন তারেক রহমান।
তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে এটি ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব পরিকল্পনার কথা জানান। লিখিত জবাবে বলা হয়, কর ফাঁকি রোধে কার্যকর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ জোরদার করা হচ্ছে এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ইতোমধ্যে মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি রেভিনিউ কৌশল গ্রহণ করেছে।
সরকার কর ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার উদ্যোগ নিয়েছে। অনলাইন ট্যাক্স কাটা ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, কর আইন সহজীকরণ, কর অব্যাহতি যৌক্তিকীকরণ এবং ঝুঁকিভিত্তিক অডিট কার্যক্রম জোরদার করার কথা উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া এআই-ভিত্তিক অনলাইন সেবা, করদাতাদের তথ্যভান্ডার উন্নয়ন এবং কর সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমও চলমান রয়েছে বলে জানানো হয়।
সরকারের পরিকল্পনায় কাস্টমস ও ট্যারিফ নীতির আধুনিকায়ন, বকেয়া রাজস্ব আদায় জোরদার এবং বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কর-জিডিপি অনুপাত ধাপে ধাপে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ এ বাজেট অধিবেশনে কর ফাঁকি রোধ এবং কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধির লক্ষ্যে একগুচ্ছ পরিকল্পনা তুলে ধরেন তারেক রহমান।
তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে এটি ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব পরিকল্পনার কথা জানান। লিখিত জবাবে বলা হয়, কর ফাঁকি রোধে কার্যকর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ জোরদার করা হচ্ছে এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ইতোমধ্যে মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি রেভিনিউ কৌশল গ্রহণ করেছে।
সরকার কর ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার উদ্যোগ নিয়েছে। অনলাইন ট্যাক্স কাটা ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, কর আইন সহজীকরণ, কর অব্যাহতি যৌক্তিকীকরণ এবং ঝুঁকিভিত্তিক অডিট কার্যক্রম জোরদার করার কথা উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া এআই-ভিত্তিক অনলাইন সেবা, করদাতাদের তথ্যভান্ডার উন্নয়ন এবং কর সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমও চলমান রয়েছে বলে জানানো হয়।
সরকারের পরিকল্পনায় কাস্টমস ও ট্যারিফ নীতির আধুনিকায়ন, বকেয়া রাজস্ব আদায় জোরদার এবং বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কর-জিডিপি অনুপাত ধাপে ধাপে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
