চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ও নারায়নপুর ইউনিয়নে পদ্মা নদীর বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এ ঘটনায় ইজারাদারের বাড়ি ও অফিসে ভাঙচুর, মালামাল লুটপাট, ভেকু মেশিনে অগ্নিসংযোগ এবং পুলিশকে ঘেরাওয়ের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার রাতে সদর উপজেলার সীমান্তঘেঁষা বাখরআলী ও নারায়নপুর ইউনিয়নের আলিম নগর এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারিভাবে ইজারা দেওয়া পদ্মা নদীর নির্ধারিত বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ইজারাদারপক্ষ স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে।
মামলার তদন্ত ও ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অংশ হিসেবে সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সোহায়বুর রহমান এলাকায় গেলে এজাহারভুক্ত আসামি রুবেল আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাদা পোশাকে আসামি ধরতে গেলে গ্রামবাসীরা ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে ঘিরে ফেলেন। একপর্যায়ে তাকে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করা হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ও ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্ধার করেন।
তবে পুলিশ সদস্যকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন। তিনি জানান, তদন্তের কাজে এসআই সোহায়বুর সেখানে গেলে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হলেও পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে পুলিশের অভিযানের পর রাতের দিকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, বিক্ষুব্ধ একটি অংশ বালুমহালের ইজারাদার আজিজুলের বাড়ি ও ব্যক্তিগত কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর এবং মালামাল লুটপাট করে।
পরে গভীর রাতে বাখরআলী বিজিবি ক্যাম্পের কাছে বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত একটি ভেকু মেশিনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
ওসি একরামুল হোসাইন জানান, বাড়িঘর-অফিস ভাঙচুর, লুটপাট ও ভেকুতে আগুন দেওয়ার খবর পুলিশ পেয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত নতুন কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি এবং কাউকে আটক করা হয়নি।
ঘটনার পর চরবাগডাঙ্গা ও নারায়নপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় থোমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি জোরদার করা হয়েছে টহল।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ও নারায়নপুর ইউনিয়নে পদ্মা নদীর বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এ ঘটনায় ইজারাদারের বাড়ি ও অফিসে ভাঙচুর, মালামাল লুটপাট, ভেকু মেশিনে অগ্নিসংযোগ এবং পুলিশকে ঘেরাওয়ের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার রাতে সদর উপজেলার সীমান্তঘেঁষা বাখরআলী ও নারায়নপুর ইউনিয়নের আলিম নগর এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারিভাবে ইজারা দেওয়া পদ্মা নদীর নির্ধারিত বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ইজারাদারপক্ষ স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে।
মামলার তদন্ত ও ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অংশ হিসেবে সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সোহায়বুর রহমান এলাকায় গেলে এজাহারভুক্ত আসামি রুবেল আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাদা পোশাকে আসামি ধরতে গেলে গ্রামবাসীরা ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে ঘিরে ফেলেন। একপর্যায়ে তাকে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করা হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ও ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্ধার করেন।
তবে পুলিশ সদস্যকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন। তিনি জানান, তদন্তের কাজে এসআই সোহায়বুর সেখানে গেলে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হলেও পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে পুলিশের অভিযানের পর রাতের দিকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, বিক্ষুব্ধ একটি অংশ বালুমহালের ইজারাদার আজিজুলের বাড়ি ও ব্যক্তিগত কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর এবং মালামাল লুটপাট করে।
পরে গভীর রাতে বাখরআলী বিজিবি ক্যাম্পের কাছে বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত একটি ভেকু মেশিনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
ওসি একরামুল হোসাইন জানান, বাড়িঘর-অফিস ভাঙচুর, লুটপাট ও ভেকুতে আগুন দেওয়ার খবর পুলিশ পেয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত নতুন কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি এবং কাউকে আটক করা হয়নি।
ঘটনার পর চরবাগডাঙ্গা ও নারায়নপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় থোমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি জোরদার করা হয়েছে টহল।
