ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নাসিরনগর উপজেলা-এর জনজীবন। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সমস্যা দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঘণ্টাখানেক বিদ্যুৎ থাকার পরই দীর্ঘ সময়ের জন্য লোডশেডিং শুরু হচ্ছে। দিনে কয়েক দফায় বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে, আর ১০ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ৫–৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ মিলছে বলে তারা জানান। রাতেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে, ফলে গভীর রাতেও স্বস্তি মিলছে না।
এই অবস্থায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু, বৃদ্ধ, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা। চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে, অন্যদিকে বিদ্যুৎনির্ভর ছোট-বড় ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম সংকটে।
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবাতেও দুর্বলতা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় গ্রাহকরা নেটওয়ার্ক সমস্যার অভিযোগ করছেন, যা যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও জটিল করে তুলছে।
এদিকে তীব্র গরমে জনদুর্ভোগ আরও বেড়েছে। স্থানীয়দের মতে, তাপমাত্রা প্রায় ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলেও আর্দ্রতার কারণে তা আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে একযোগে একাধিক এলাকায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। দীর্ঘায়িত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। দ্রুত সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নাসিরনগর উপজেলা-এর জনজীবন। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সমস্যা দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঘণ্টাখানেক বিদ্যুৎ থাকার পরই দীর্ঘ সময়ের জন্য লোডশেডিং শুরু হচ্ছে। দিনে কয়েক দফায় বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে, আর ১০ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ৫–৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ মিলছে বলে তারা জানান। রাতেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে, ফলে গভীর রাতেও স্বস্তি মিলছে না।
এই অবস্থায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু, বৃদ্ধ, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা। চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে, অন্যদিকে বিদ্যুৎনির্ভর ছোট-বড় ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম সংকটে।
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবাতেও দুর্বলতা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় গ্রাহকরা নেটওয়ার্ক সমস্যার অভিযোগ করছেন, যা যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও জটিল করে তুলছে।
এদিকে তীব্র গরমে জনদুর্ভোগ আরও বেড়েছে। স্থানীয়দের মতে, তাপমাত্রা প্রায় ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলেও আর্দ্রতার কারণে তা আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে একযোগে একাধিক এলাকায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। দীর্ঘায়িত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। দ্রুত সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
