রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় দায়ের হওয়া বহুল আলোচিত এক গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি হাবিবুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৩।
বুধবার (১০ জুন) ভোররাতে উপজেলার ধনতলা বাজারসংলগ্ন দক্ষিণ বেতগাড়ী (কলাবাড়ী) এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতার হাবিবুর রহমান ওই এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় মো. নয়া মিয়ার ছেলে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি গঙ্গাচড়ায় এক গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে এ মামলা হয়। পরবর্তীতে ২১ ফেব্রুয়ারি ভুক্তভোগীর স্বামী গঙ্গাচড়া মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর থেকেই প্রধান আসামি হাবিবুর রহমান আত্মগোপনে চলে যান।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান পরিবর্তন করে পালিয়ে থাকার চেষ্টা করছিলেন। পরে র্যাব-১৩ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালায়। সেই অভিযানে বুধবার ভোরে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-১৩ জানিয়েছে, তিনি মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এদিকে আসামি গ্রেফতারের খবরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী পরিবার আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছিল। স্থানীয় সচেতন মহলও দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। র্যাব জানিয়েছে, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ গুরুতর অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় দায়ের হওয়া বহুল আলোচিত এক গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি হাবিবুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৩।
বুধবার (১০ জুন) ভোররাতে উপজেলার ধনতলা বাজারসংলগ্ন দক্ষিণ বেতগাড়ী (কলাবাড়ী) এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতার হাবিবুর রহমান ওই এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় মো. নয়া মিয়ার ছেলে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি গঙ্গাচড়ায় এক গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে এ মামলা হয়। পরবর্তীতে ২১ ফেব্রুয়ারি ভুক্তভোগীর স্বামী গঙ্গাচড়া মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর থেকেই প্রধান আসামি হাবিবুর রহমান আত্মগোপনে চলে যান।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান পরিবর্তন করে পালিয়ে থাকার চেষ্টা করছিলেন। পরে র্যাব-১৩ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালায়। সেই অভিযানে বুধবার ভোরে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-১৩ জানিয়েছে, তিনি মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এদিকে আসামি গ্রেফতারের খবরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী পরিবার আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছিল। স্থানীয় সচেতন মহলও দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। র্যাব জানিয়েছে, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ গুরুতর অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
