খুলনা জেলা উন্নয়ন কমিটির অক্টোবর মাসের সভা আজ ১৮ অক্টোবর রবিবার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে তার সন্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, খুলনায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারি হাসপাতাল গুলোয় দিনের যেকোন সময় ডেঙ্গু পরিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন।
শারদীয় দুর্গাপুজার মন্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি নিরাপদ বিদ্যুৎ সংযোগ ও অগ্নিদুর্ঘটনা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা রাখতে হবে। চলমান ওএমএস কার্যক্রমে মনিটরিং বাড়াতে হবে। তিনি বলেন, দাকোপের পানখালী এসডিজি গ্রাম বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি দপ্তরকে তাদের নির্ধারিত কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে মনোযোগী হতে হবে।
শুস্ক মৌসুমে অগ্নিদুর্ঘটনা রোধে এবং চলমান ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবসানে সবাইকে সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বদরুজ্জামান সভায় জানান, মা ইলিশ সংরক্ষণে গত মাসে ২০ টি মোবাইল কোর্ট এবং ৫০ টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
ইলিশ আহরন বন্ধকালীন খুলনার তিন হাজার ৯ শত ৮৬ জেলে পরিবারের মধ্যে তিন হাজার ৯ শত ১৯ পরিবার তাদের অনুকুলে বরাদ্দ চাল পেয়েছেন। এসময়ে ৬ দশমিক ৮ লাখ মিটার জাল আটক করা হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম সভায় জানান, খুলনা জেলায় তিন লাখ ৫০ হাজার টি কৃষক কার্ড প্রদানের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ১২ শতাংশ কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
বটিয়াঘাটার আমীরপুর ইউনিয়নের ১ হাজার ৪৯২ জন কৃষক প্রত্যেকে ২ হাজার পাচশত টাকা করে প্রনোদনা পেয়েছেন। জেলায় সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান আছে। আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ৯৯ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। খুলনা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম গাজী সভায় জানান, গতমাসে হাসপাতালটিতে দুই হাজার ৮ শত ৩৮ জনের ডেঙ্গু পরিক্ষা করে ১ হাজার ৪৬ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়।
খুলনা সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুর ১৮ টি হটস্পট রয়েছে। সভায় সিভিল সার্জন ডাঃ মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( রাজস্ব) মোছা: রনী খাতুন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
খুলনা জেলা উন্নয়ন কমিটির অক্টোবর মাসের সভা আজ ১৮ অক্টোবর রবিবার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে তার সন্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, খুলনায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারি হাসপাতাল গুলোয় দিনের যেকোন সময় ডেঙ্গু পরিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন।
শারদীয় দুর্গাপুজার মন্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি নিরাপদ বিদ্যুৎ সংযোগ ও অগ্নিদুর্ঘটনা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা রাখতে হবে। চলমান ওএমএস কার্যক্রমে মনিটরিং বাড়াতে হবে। তিনি বলেন, দাকোপের পানখালী এসডিজি গ্রাম বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি দপ্তরকে তাদের নির্ধারিত কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে মনোযোগী হতে হবে।
শুস্ক মৌসুমে অগ্নিদুর্ঘটনা রোধে এবং চলমান ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবসানে সবাইকে সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বদরুজ্জামান সভায় জানান, মা ইলিশ সংরক্ষণে গত মাসে ২০ টি মোবাইল কোর্ট এবং ৫০ টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
ইলিশ আহরন বন্ধকালীন খুলনার তিন হাজার ৯ শত ৮৬ জেলে পরিবারের মধ্যে তিন হাজার ৯ শত ১৯ পরিবার তাদের অনুকুলে বরাদ্দ চাল পেয়েছেন। এসময়ে ৬ দশমিক ৮ লাখ মিটার জাল আটক করা হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম সভায় জানান, খুলনা জেলায় তিন লাখ ৫০ হাজার টি কৃষক কার্ড প্রদানের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ১২ শতাংশ কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
বটিয়াঘাটার আমীরপুর ইউনিয়নের ১ হাজার ৪৯২ জন কৃষক প্রত্যেকে ২ হাজার পাচশত টাকা করে প্রনোদনা পেয়েছেন। জেলায় সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান আছে। আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ৯৯ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। খুলনা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম গাজী সভায় জানান, গতমাসে হাসপাতালটিতে দুই হাজার ৮ শত ৩৮ জনের ডেঙ্গু পরিক্ষা করে ১ হাজার ৪৬ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়।
খুলনা সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুর ১৮ টি হটস্পট রয়েছে। সভায় সিভিল সার্জন ডাঃ মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( রাজস্ব) মোছা: রনী খাতুন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
