বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

কেসিসির ট্রেড লাইসেন্স শাখার ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা

প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
কেসিসির ট্রেড লাইসেন্স শাখার ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা
ছবি: সংগৃহীত

খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) ট্রেড লাইসেন্স শাখার ৩৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং আত্মসাতের আলামত নষ্ট করার অভিযোগে ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুদকের উপসহকারী পরিচালক আশিকুর রহমান বাদী হয়ে মামলা দুটি দায়ের করেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, প্রথম মামলায় ট্রেড লাইসেন্স শাখার ৩৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে লাইসেন্স পরিদর্শক হাবিবুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া বিষয়টি তদারকি না করে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বরখাস্ত থাকা সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার ফারুক হোসেন তালুকদার এবং টাকা জমা গ্রহণের সময় সঠিকভাবে হিসাব যাচাই না করার অভিযোগে হিসাব বিভাগের ক্যাশিয়ার সঞ্জীব কুমার সাহাকে আসামি করা হয়েছে।

দ্বিতীয় মামলায় ১১টি ট্রেড লাইসেন্স বই গায়েব করে অর্থ আত্মসাতের আলামত নষ্ট করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ মামলায় লাইসেন্স পরিদর্শক হাবিবুর রহমান, মনিরুল ইসলাম, শেখ শাহেদ হাসান ও কাজী মনজুরুল আলমকে আসামি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সঠিকভাবে তদারকি না করে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সাবেক সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার ফারুক হোসেন তালুকদারকেও আসামি করা হয়েছে।

আসামিদের মধ্যে মনিরুল ইসলাম ও কাজী মঞ্জুরুল আলম বর্তমানে কেসিসির কনজারভেন্সি সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

এ বিষয়ে কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ বলেন, প্রায় ছয়-সাত বছর আগের ঘটনায় মামলা দুটি দায়ের হয়েছে। এখনো এ বিষয়ে কোনো নথি তাঁদের হাতে পৌঁছায়নি। বিষয়টি বিশ্লেষণ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

চেকপোস্ট

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


কেসিসির ট্রেড লাইসেন্স শাখার ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা

প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) ট্রেড লাইসেন্স শাখার ৩৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং আত্মসাতের আলামত নষ্ট করার অভিযোগে ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুদকের উপসহকারী পরিচালক আশিকুর রহমান বাদী হয়ে মামলা দুটি দায়ের করেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, প্রথম মামলায় ট্রেড লাইসেন্স শাখার ৩৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে লাইসেন্স পরিদর্শক হাবিবুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া বিষয়টি তদারকি না করে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বরখাস্ত থাকা সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার ফারুক হোসেন তালুকদার এবং টাকা জমা গ্রহণের সময় সঠিকভাবে হিসাব যাচাই না করার অভিযোগে হিসাব বিভাগের ক্যাশিয়ার সঞ্জীব কুমার সাহাকে আসামি করা হয়েছে।

দ্বিতীয় মামলায় ১১টি ট্রেড লাইসেন্স বই গায়েব করে অর্থ আত্মসাতের আলামত নষ্ট করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ মামলায় লাইসেন্স পরিদর্শক হাবিবুর রহমান, মনিরুল ইসলাম, শেখ শাহেদ হাসান ও কাজী মনজুরুল আলমকে আসামি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সঠিকভাবে তদারকি না করে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সাবেক সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার ফারুক হোসেন তালুকদারকেও আসামি করা হয়েছে।

আসামিদের মধ্যে মনিরুল ইসলাম ও কাজী মঞ্জুরুল আলম বর্তমানে কেসিসির কনজারভেন্সি সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

এ বিষয়ে কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ বলেন, প্রায় ছয়-সাত বছর আগের ঘটনায় মামলা দুটি দায়ের হয়েছে। এখনো এ বিষয়ে কোনো নথি তাঁদের হাতে পৌঁছায়নি। বিষয়টি বিশ্লেষণ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত