গোপালগঞ্জ-৩ টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস এম জিলানী বুধবার ১৩ মে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের গুয়াধানা গ্রামে কৃষকদের ধান কেটে সহযোগিতা করেছেন।
ধান কাটার এই কর্মসূচিতে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। সকাল থেকেই স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মাঠে নেমে ধান কাটেন তিনি। এ সময় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যা, বিশেষ করে শ্রমিক সংকটের বিষয়টি জানার চেষ্টা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোক্তার মোল্লা, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর শেখ, পাটগাতী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নান্টু সেখসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এমপি এস এম জিলানী বলেন, ধান কাটার ভরা মৌসুম চললেও কৃষকরা প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক পাচ্ছেন না। অনেক সময় বেশি টাকা দিয়েও শ্রমিক মিলছে না। ফলে অনেক কৃষক সময়মতো ধান ঘরে তুলতে পারছেন না। তাই আমরা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি।
তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি কৃষক। তাদের সংকটে পাশে দাঁড়ানো সবার দায়িত্ব এবং কৃষির উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, জনপ্রতিনিধি নিজে মাঠে নেমে ধান কাটায় অংশ নেওয়ায় তারা অনুপ্রাণিত হয়েছেন। এতে কৃষকদের প্রতি সহমর্মিতার একটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছেছে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
গোপালগঞ্জ-৩ টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস এম জিলানী বুধবার ১৩ মে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের গুয়াধানা গ্রামে কৃষকদের ধান কেটে সহযোগিতা করেছেন।
ধান কাটার এই কর্মসূচিতে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। সকাল থেকেই স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মাঠে নেমে ধান কাটেন তিনি। এ সময় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যা, বিশেষ করে শ্রমিক সংকটের বিষয়টি জানার চেষ্টা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোক্তার মোল্লা, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর শেখ, পাটগাতী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নান্টু সেখসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এমপি এস এম জিলানী বলেন, ধান কাটার ভরা মৌসুম চললেও কৃষকরা প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক পাচ্ছেন না। অনেক সময় বেশি টাকা দিয়েও শ্রমিক মিলছে না। ফলে অনেক কৃষক সময়মতো ধান ঘরে তুলতে পারছেন না। তাই আমরা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি।
তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি কৃষক। তাদের সংকটে পাশে দাঁড়ানো সবার দায়িত্ব এবং কৃষির উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, জনপ্রতিনিধি নিজে মাঠে নেমে ধান কাটায় অংশ নেওয়ায় তারা অনুপ্রাণিত হয়েছেন। এতে কৃষকদের প্রতি সহমর্মিতার একটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছেছে।
