জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ২ হাজার ২৪৭ বন্দির মধ্যে এখনো ৬৯০ জন পলাতক রয়েছেন। এদের মধ্যে নরসিংদী কারাগার থেকে পালানো ১৬৬ বন্দির কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর পুরান ঢাকায় কারা অধিদপ্তরের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহার হোসেন।
তিনি জানান, পালিয়ে যাওয়া বন্দিদের মধ্যে ১ হাজার ৫৫৭ জনকে গ্রেপ্তার করে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে নরসিংদী কারাগার থেকে পালানো ৮২৬ বন্দির মধ্যে ৬৬০ জনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলেও বাকি ১৬৬ জন এখনো পলাতক।
কারাগারে মাদক প্রবেশ এবং এ কাজে কারারক্ষীদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তিনি বলেন, মাদক ও আর্থিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে কারা অধিদপ্তর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে।
তিনি জানান, গত দুই বছরে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ২১ জন কারারক্ষীকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ৮২ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং ৮৭০ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে।
এ ছাড়া ছোটখাটো অপরাধের কারণে ৩০৩ জন কারারক্ষীকে প্রশাসনিকভাবে বিভিন্ন বিভাগ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মোতাহার হোসেন বলেন, কোনো কারারক্ষী মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ২ হাজার ২৪৭ বন্দির মধ্যে এখনো ৬৯০ জন পলাতক রয়েছেন। এদের মধ্যে নরসিংদী কারাগার থেকে পালানো ১৬৬ বন্দির কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর পুরান ঢাকায় কারা অধিদপ্তরের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহার হোসেন।
তিনি জানান, পালিয়ে যাওয়া বন্দিদের মধ্যে ১ হাজার ৫৫৭ জনকে গ্রেপ্তার করে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে নরসিংদী কারাগার থেকে পালানো ৮২৬ বন্দির মধ্যে ৬৬০ জনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলেও বাকি ১৬৬ জন এখনো পলাতক।
কারাগারে মাদক প্রবেশ এবং এ কাজে কারারক্ষীদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তিনি বলেন, মাদক ও আর্থিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে কারা অধিদপ্তর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে।
তিনি জানান, গত দুই বছরে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ২১ জন কারারক্ষীকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ৮২ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং ৮৭০ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে।
এ ছাড়া ছোটখাটো অপরাধের কারণে ৩০৩ জন কারারক্ষীকে প্রশাসনিকভাবে বিভিন্ন বিভাগ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মোতাহার হোসেন বলেন, কোনো কারারক্ষী মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।
